Dhaka ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নরসিংদীতে বাসে অভিযান, দেড় হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, অনুপস্থিত চিকিৎসক বদলি ও নৈশপ্রহরী বরখাস্ত সুনামগঞ্জে প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক আটক বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় চুরি হওয়া R15 মোটরসাইকেল কুড়িগ্রাম ও রংপুরে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল ও ১০ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগ সুনামগঞ্জে উকিলপাড়া ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন মাদকের অভিযোগে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ এর ৪ সদস্য বহিষ্কার ও কারাগারে নরসিংদীতে সাঁড়াশি অভিযান, ১৮ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ গ্রেপ্তার যাত্রাবাড়ীতে ৭০ কেজি গাঁজাসহ পিকআপ জব্দ, গ্রেফতার ১

হোটেল মালিকের সাংবাদিককে হত্যার হুমকী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১১:১৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৫৩ সময় দেখুন
print news

সাকিবুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার: মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড়ে ইয়ারুল হোটেলে মানহিন গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ তোলায় সাংবাদিক সোহান রেজাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে হোটেল মালিক ইয়ারুল ইসলাম। রবিবার দুপুরের দিকে এঘটনা ঘটে। এবিষয়ে মেহেরপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সাংবাদিক সোহান রেজা বলেন, রবিবার দুপুরে মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড়ে ইয়ারুল হোটেলে আমি ও আমার এক আত্মিয়কে নিয়ে খেতে যায়। আমারা ভাত ও গরুর মাংসর অডার করি। আমাদের নিম্ন মানের বাসি মাংস খেতে দেয়। আমরা মাংসটা পরিবর্তন করে দিতে বলি। হোটেল বয় বিষয়টা হোটেল  মালিককে জানায়। এরপর হোটেল মালিক ইয়ারুল ইসলাম রাগন্মিত হয়ে আমাদের গালিগালাজ করে। আমি এর প্রতিবাদ করলে ইয়ারুল ইসলাম আমকে বিভিন্ন ভয় ভীতি  প্রদর্শন করে। এক পর্যায়ে দোকানে রান্নার খুনতি দিয়ে হত্যা করার জন্য ছুটে আসে। সে সময় হোটেলের অন্যান্য কাস্টমাররা আামাদের উদ্ধার করে সেখান থেকে বের করে দেয়।
দোকান মালিক ইয়ারুল জানান, সোহানের একটি চক্র রয়েছে। এই চক্র আমার বিরুদ্ধে মরা গরুর মাংশ বিক্রির অভিযোগে নিউজ করেছিলে। আমার ব্যবসা ধ্বংশ হয়ে গিয়েছিলো । ওদের কোন ছাড় নেই।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি আমান আল বাড়ী ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষলে মেহেরপুর সদও থানায় একটি জিডি হয়েছে যার নং ৩৭। ঘটনা তদন্ত কওে সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য গত ২২ সালের নভেম্বর মাসে রোগাক্রান্ত মরা গরুর মাংস বিক্রির দায়ে শহরের কলেজ মোড় এলাকার জনপ্রিয় ইয়ারুল হোটেলের মালিক ইয়ারুল ইসলাম ও তার কর্মচারী মফেজ উদ্দিনকে আটক করে নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর। বিষয়টি তখন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে কোন সাংবাদিক তার হোটেলে গেলে তাকে হেস্তনেস্ত করা হয়।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

নরসিংদীতে বাসে অভিযান, দেড় হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

হোটেল মালিকের সাংবাদিককে হত্যার হুমকী

আপডেটের সময়: ১১:১৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪
print news

সাকিবুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার: মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড়ে ইয়ারুল হোটেলে মানহিন গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ তোলায় সাংবাদিক সোহান রেজাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে হোটেল মালিক ইয়ারুল ইসলাম। রবিবার দুপুরের দিকে এঘটনা ঘটে। এবিষয়ে মেহেরপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সাংবাদিক সোহান রেজা বলেন, রবিবার দুপুরে মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড়ে ইয়ারুল হোটেলে আমি ও আমার এক আত্মিয়কে নিয়ে খেতে যায়। আমারা ভাত ও গরুর মাংসর অডার করি। আমাদের নিম্ন মানের বাসি মাংস খেতে দেয়। আমরা মাংসটা পরিবর্তন করে দিতে বলি। হোটেল বয় বিষয়টা হোটেল  মালিককে জানায়। এরপর হোটেল মালিক ইয়ারুল ইসলাম রাগন্মিত হয়ে আমাদের গালিগালাজ করে। আমি এর প্রতিবাদ করলে ইয়ারুল ইসলাম আমকে বিভিন্ন ভয় ভীতি  প্রদর্শন করে। এক পর্যায়ে দোকানে রান্নার খুনতি দিয়ে হত্যা করার জন্য ছুটে আসে। সে সময় হোটেলের অন্যান্য কাস্টমাররা আামাদের উদ্ধার করে সেখান থেকে বের করে দেয়।
দোকান মালিক ইয়ারুল জানান, সোহানের একটি চক্র রয়েছে। এই চক্র আমার বিরুদ্ধে মরা গরুর মাংশ বিক্রির অভিযোগে নিউজ করেছিলে। আমার ব্যবসা ধ্বংশ হয়ে গিয়েছিলো । ওদের কোন ছাড় নেই।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি আমান আল বাড়ী ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষলে মেহেরপুর সদও থানায় একটি জিডি হয়েছে যার নং ৩৭। ঘটনা তদন্ত কওে সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য গত ২২ সালের নভেম্বর মাসে রোগাক্রান্ত মরা গরুর মাংস বিক্রির দায়ে শহরের কলেজ মোড় এলাকার জনপ্রিয় ইয়ারুল হোটেলের মালিক ইয়ারুল ইসলাম ও তার কর্মচারী মফেজ উদ্দিনকে আটক করে নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর। বিষয়টি তখন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে কোন সাংবাদিক তার হোটেলে গেলে তাকে হেস্তনেস্ত করা হয়।