মুসলেহ উদ্দিন,টেকনাফ: হজ্ব ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বুনিয়াদি স্তম্ভ ।
হজ্ব শব্দের আভিধানিক অর্থ সংকল্প করা বা ইচ্ছা করা আল্লাহর নির্দেশ মেনে তার সন্তূরটির জন্য সৌদি আরবের নির্দিষ্ট কিছু
স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে সফর করা ইসলামী শরীআহ অনুশারে কিছু কর্মকান্ড সম্পাদকন করার নামই হজ্ব।
হযরত মোহাম্মদ ( সঃ) দশম হিজরিতে একবার স্বপরাবারে হজ্ব পালন করেন নবম বা দশম হিজরিতে হযরত মোহাম্মদ সঃ এর মাধ্যমে হজ্বকে ফরজ করা হয়েছে।
হজ্ব সম্পন্ন করতে যিলহজ্বের আট থেকে তেরো তারিখে আরবের মক্কা মিনা আরাফাত ও মুজদালিফায় নির্দিষ্ট কিছু স্থানে কর্মকান্ড সম্পাদন করতে হয়।
হজ্ব সম্পাদনের অন্যতম একটি অংশ হলো নয় যিলহজ্বে আরাফায় অবস্থান করা এই আরাফার ময়দান হাশরের ময়দানের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
যেখানে সমগ্র মানবজাতি একত্রিত হবে এক ময়দানে হাদিসে হজ্বযাত্রীদের আল্লাহর মেহমান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে পবিত্র কোরআন মজিদে সূরা হজ্বের নামে একটি সূরা রয়েছে ।
যেখানে হজ্বের তাৎপর্য ও গুরুত্ব আলোচনা করা হয়েছে নারীদের জন্য হজ্ব হলো জিহাদের সমতুল্য আর একটি জান্নাত লাভের অবলম্বন স্বরুপ।
হজ্ব একজন মুসলমানের কাছে শান্তি ও শুদ্ধি আনয়ন করে এবং অতীতের সকল পাপ কাজ মুছে দেয় হজ্ব সফরে ইহরামের কাফন কাপড় পড়ে পরিবার ও আত্মীয় স্বজন ছেড়ে পরকালের পথে রওয়ানা হওয়াকে স্বরণ করিয়ে দেয়।
হজ্বের সফরে মহান আল্লাহর বিধিবিধান মেনে চলা স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে যে মুমিনের জীবন লাগামহীন নয় মুমিনদের জীবন আল্লাহর রশিতে বাধা।
হজ্বের সফরে পাথেয় সঙ্গে নেওয়া আখেরাতের সফরে পাথেয় সঙ্গে নেওয়ার কথা স্বরণ করিয়ে দেয় মুসলিম উম্মাহে আল্লাহর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী মহাজাতিতে পরিণত হতে উদ্বুদ্ধ করে।
এখন বাংলাদেশ থেকে হজ্ব সম্পাদন করতে ১৪-১৫ দিন সময় লাগে বর্তমানে সমগ্র পৃথিবী থেকে প্রতি বছর প্রায় ২৫-৩০ লাখ মুসলিম হজ্ব পালন করে।
হজ্বের গুরুত্বঃ
এবং মানবজাতিকে হজ্বের কথা ঘোষণা করে দাও তারা পায়ে হেঁটে শীর্ণ উটের পিঠে তোমার কাছে আসবে তারা দুর দুরান্তের পথ অতিক্রম করে আসবে হজ্বের উদ্যেশ্য সূরা আল হজ্ব আয়াত ২৭
আর এতে রয়েছে স্পষ্ট দিক নিদর্শন যে মাকামে ইব্রাহিমে প্রবেশ করবে সে নিরাপত্তা লাভ করবে আর যার সামর্থ্য রয়েছে শারীরিক ও আর্থিক তার এই কাবায় এসে হজ্ব আল্লাহর পক্ষ থেকে ফরয ও আবশ্যক কর্তব্য আর যদি কেউ এই বিধান হজ্বকে অস্বীকার করে তবে তার জেনে রাখা উচিত আল্লাহ বিশ্ব জগতে কারো মুখাপেক্ষী নন সুরা আলে ইমরান আয়াত ৯৭
নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শন সমুহের অন্তর্গত অত এব যে ব্যক্তি আল্লাহর এই ঘরে হজ্ব উমরা করে তার জন্য এই উভয় পাহাড়ের মাঝে প্রশিক্ষণ করা দোষনীয় নয় এবং কোন ব্যক্তি নিষ্ঠার সাথে স্বেচ্ছায় সৎকর্ম করলে আল্লাহ কৃতজ্ঞতা পরায়ণ ও সর্বঘিয়াত সুরা আল বাকারা আয়াত ১৫৮
হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যদি কেউ হজ্ব উমরাহ পালন করে অথবা জিহাদের জন্য যাত্রা করে পথিমধ্যে যদি তার মৃত্যু হয় তবে আল্লাহ এর জন্য তাকে পূর্ণ প্রতিদান দেবেন
মিশকাত ২৫৩৯
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মাবরুক হজ্বের ( কবুল হজ্বের) পুরস্কার বা প্রতিদান জান্নাত ব্যাতিত আর কিছুই নয় বুখারী ১৭৭৩
এ ছাড়া হজ্বের ফযিলত ও গুরুত্ব আরো অনেক অনেক আছে যা কোরআন ও হাদিসের আলোকে প্রমাণিত।
প্রতিবেদকের নাম 
















