Dhaka ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

কাঠমিস্ত্রি থেকে সফল খামারি: তাড়াশের রবিউলের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:৩৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৪৯ সময় দেখুন

◼️এস,এম,রুহুল তাড়াশী–চলনবিল প্রতিনিধি

 

মুরগি পালন করে তাড়াশে অনেকেই সফলতা অর্জন করেছেন। সঠিক পরিকল্পনা, রোগ ব্যবস্থাপনা এবং বাজার জাতকরণের মাধ্যমে তারা সফলতা অর্জন করে লাভবান হচ্ছেন। পৌর এলাকার বাইরে ৫নং নওগাঁ ইউনিয়নের গ্রোয়ালগ্রামের মৃত হোসেন আলী ছেলে রবিউল ইসলাম পোল্ট্রি খামার করে সফলতা অর্জন করেছেন। রবিউল পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া শেষ করে কাঠমিস্ত্রি কাজ শুরু করেন। করার পরে অর্থনৈতিক উন্নতি এবং সফলতা হয় এমন পেশা নিয়ে ভাবতে থাকেন রবিউল।

রবিউল জানান, টিভি চ্যানেলে এবং খবরের কাগজে পোল্ট্রি খামার করে অনেকের সফলতা অর্জনের খবর পড়ে রবিউল সিদ্ধান্ত নেন মুরগির খামার করবেন। প্রথমে(২০২০ সালে) ২ হাজার মুরগির বাচ্চা দিয়ে পোল্ট্রি খামার শুরু করেন। কয়েক বছর নিরলস পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে তিনি আজ একজন সফল পোল্ট্রি খামারি। ইতোমধ্যে উপজেলা যুব দিবস ২০২৩সম্নাননা স্বারক পেয়েছেন । পোল্ট্রি খামারের পাশাপাশি, মাছ চাষ, ধান চাষ ও সবজি উৎপাদনের খামারও তিনি গড়ে তুলেছেন। খামার পরিচালনার শুরুর পর আর তাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এখন শুধুই এগিয়ে চলেছেন সামনের দিকে।

রবিউল আরও জানান, খামার শুরুর প্রথম দিকে মুরগি পালন করে তিনি গোটা বছরের পারিবারের ডিমের ও মুরগির চাহিদা মিটানোর পর ডিম ও মুরগি বিক্রি করে বাড়তি কিছু আয় করতে থাকেন। বাড়তি আয়ের অর্থে খামারকে প্রসারিত করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বর্তমানে তার খামারে ৭হাজার মুরগি ও কয়েল পাখি রয়েছে। ৭ হাজার মুরগি ছোট বাচ্চা। এরমধ্যে চারজন নারী ও দুইজন পুরুষ শ্রমিকও রয়েছে।

মুরগী খামারীর রবিউল ইসলাম আরও বলেন, মুরগির বিষ্ঠা দিয়ে পরিবেশ বান্ধব একটি বায়োগ্যাস প্লান্ট তিনি তৈরী করেছেন। এই প্লান্ট থেকে পরিবারের রান্নার পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকটি বাড়িতে বায়োগ্যাস সাপ্লাই দিয়েছেন। রবিউল দেশের অবহেলিত যুব সমাজকে এগিয়ে নিতে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি, গবাদি পশু পালন, নকশী কাঁথা, হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি শিক্ষিত বেকার যুবকদের পোল্ট্রি খামার করার জন্য আহ্বান জানান।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

কাঠমিস্ত্রি থেকে সফল খামারি: তাড়াশের রবিউলের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা

আপডেটের সময়: ০৯:৩৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

◼️এস,এম,রুহুল তাড়াশী–চলনবিল প্রতিনিধি

 

মুরগি পালন করে তাড়াশে অনেকেই সফলতা অর্জন করেছেন। সঠিক পরিকল্পনা, রোগ ব্যবস্থাপনা এবং বাজার জাতকরণের মাধ্যমে তারা সফলতা অর্জন করে লাভবান হচ্ছেন। পৌর এলাকার বাইরে ৫নং নওগাঁ ইউনিয়নের গ্রোয়ালগ্রামের মৃত হোসেন আলী ছেলে রবিউল ইসলাম পোল্ট্রি খামার করে সফলতা অর্জন করেছেন। রবিউল পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া শেষ করে কাঠমিস্ত্রি কাজ শুরু করেন। করার পরে অর্থনৈতিক উন্নতি এবং সফলতা হয় এমন পেশা নিয়ে ভাবতে থাকেন রবিউল।

রবিউল জানান, টিভি চ্যানেলে এবং খবরের কাগজে পোল্ট্রি খামার করে অনেকের সফলতা অর্জনের খবর পড়ে রবিউল সিদ্ধান্ত নেন মুরগির খামার করবেন। প্রথমে(২০২০ সালে) ২ হাজার মুরগির বাচ্চা দিয়ে পোল্ট্রি খামার শুরু করেন। কয়েক বছর নিরলস পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে তিনি আজ একজন সফল পোল্ট্রি খামারি। ইতোমধ্যে উপজেলা যুব দিবস ২০২৩সম্নাননা স্বারক পেয়েছেন । পোল্ট্রি খামারের পাশাপাশি, মাছ চাষ, ধান চাষ ও সবজি উৎপাদনের খামারও তিনি গড়ে তুলেছেন। খামার পরিচালনার শুরুর পর আর তাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এখন শুধুই এগিয়ে চলেছেন সামনের দিকে।

রবিউল আরও জানান, খামার শুরুর প্রথম দিকে মুরগি পালন করে তিনি গোটা বছরের পারিবারের ডিমের ও মুরগির চাহিদা মিটানোর পর ডিম ও মুরগি বিক্রি করে বাড়তি কিছু আয় করতে থাকেন। বাড়তি আয়ের অর্থে খামারকে প্রসারিত করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বর্তমানে তার খামারে ৭হাজার মুরগি ও কয়েল পাখি রয়েছে। ৭ হাজার মুরগি ছোট বাচ্চা। এরমধ্যে চারজন নারী ও দুইজন পুরুষ শ্রমিকও রয়েছে।

মুরগী খামারীর রবিউল ইসলাম আরও বলেন, মুরগির বিষ্ঠা দিয়ে পরিবেশ বান্ধব একটি বায়োগ্যাস প্লান্ট তিনি তৈরী করেছেন। এই প্লান্ট থেকে পরিবারের রান্নার পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকটি বাড়িতে বায়োগ্যাস সাপ্লাই দিয়েছেন। রবিউল দেশের অবহেলিত যুব সমাজকে এগিয়ে নিতে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি, গবাদি পশু পালন, নকশী কাঁথা, হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি শিক্ষিত বেকার যুবকদের পোল্ট্রি খামার করার জন্য আহ্বান জানান।