
ইসলামিক ডেস্ক◼️
সপ্তাহের সাতটি দিনের মধ্যে শুক্রবারকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে ইসলামে। শুধু নামাজ বা খুতবার জন্য নয়, বরং এ দিনটির মধ্যে রয়েছে এমন কিছু রহস্যময় সময় ও আমল, যা একজন মুমিনের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। অনেকেই জানেন না, জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে, যেখানে আল্লাহ বান্দার সব দোয়া কবুল করে নেন।
রাসুল (সা.) বলেন, “জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ তা তাকে দেন।” (বুখারি ও মুসলিম)
এই সময়টা কখন?
ইমামদের বিভিন্ন মতামতের মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ধারণা হলো, এই মুহূর্তটি আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পড়ে। এ সময় দোয়া করলে, গুনাহ মাফ হতে পারে, রিজিকের দুয়ার খুলে যেতে পারে, এমনকি নিয়তি বদলে যেতে পারে।
জুমার দিন শুধু দোয়ার সময়ই নয়, বরং রয়েছে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও আমল—
– বেশি বেশি দরুদ পাঠ
– সূরা কাহফ তেলাওয়াত
– পবিত্র থাকা ও উত্তম পোশাকে জুমায় অংশগ্রহণ
– সালাতুল জুমা যথাসময়ে আদায় করা।
আধুনিক গবেষণায়ও বলা হয়েছে, সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট দিন মানসিকভাবে প্রশান্তির জন্য নির্ধারিত হলে তা মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ইসলাম সেটিই নিশ্চিত করেছে জুমার মাধ্যমে।
জুমার দিনের রহস্য শুধু ধর্মীয় নিয়মে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একজন মুমিনের আত্মশুদ্ধি, সমাজ সচেতনতা ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য সোনালী সুযোগ।
এই দিন ও এই মুহূর্ত যদি হারিয়ে যায়, তবে হয়তো পুরো সপ্তাহটাই হয়ে যাবে ফাঁকা। তাই আজকের জুমা হোক আমাদের জীবনের মোড় ঘোরানো এক নবজাগরণ।
প্রতিবেদকের নাম 
















