Dhaka ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

ফ্যানের নিচে ঘুমান?এই অভ্যাসে হতে পারে যেসব বিপদ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • ১৫২ সময় দেখুন

স্বাস্থ্য ডেস্ক◼️

গরমে স্বস্তি পেতে অনেকেই সোজা ফ্যানের নিচে ঘুমাতে পছন্দ করেন। ভাবেন, ঠাণ্ডা বাতাসে ঘুম ভালো হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস আপনার শরীরের ওপর ফেলতে পারে নেতিবাচক প্রভাব। প্রথমে কিছু বোঝা না গেলেও দীর্ঘ মেয়াদে শরীর দিতে পারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।

সোজা ফ্যানের বাতাস শরীরে সরাসরি লাগলে মাংসপেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে রাতে শরীর যখন স্থির থাকে, তখন ঠাণ্ডা বাতাস ঘাড়, পিঠ বা কোমরের স্নায়ুতে চাপ সৃষ্টি করে। ফলে ঘুম থেকে উঠে দেখা যায় ঘাড় ব্যথা, পিঠে টান কিংবা মাথাব্যথা দেখা দিয়েছে।

শুধু তাই নয়, ফ্যানের বাতাস শ্বাসনালীকে শুষ্ক করে ফেলে। এতে নাক ও গলার শ্লেষ্মা শুকিয়ে যায়, গলা খুশখুশে লাগে, নাক বন্ধ হয়ে পড়ে এবং কাশি শুরু হয়। যারা অ্যালার্জি বা সাইনাস সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য এটি আরও বিপজ্জনক হতে পারে।

ঘরের বাতাসে ধুলাবালি থাকলে ফ্যানের বাতাস তা দ্রুত ছড়িয়ে দেয়। রাতে দীর্ঘ সময় এই বাতাস শরীরে প্রবেশ করলে শ্বাসকষ্ট বা এলার্জির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমানোর সময় ফ্যানের গতি মাঝারি রাখা উচিত। আর ফ্যান যেন সরাসরি শরীরে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘর ঠাণ্ডা রাখতে চাইলে জানালা খুলে হাওয়া চলাচল নিশ্চিত করা যেতে পারে। আর সম্ভব হলে ব্যবহার করা যেতে পারে ছাদে বা কক্ষে বাতাস ছড়ানো টাইপ ফ্যান (ceiling circulation fan)।

স্বস্তির জন্য সাময়িক আরাম পেলেও, স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কথা মাথায় রেখে রাতে ঘুমানোর অভ্যাসে সচেতন হওয়া জরুরি। কারণ, একটুখানি অসতর্কতাই দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

ফ্যানের নিচে ঘুমান?এই অভ্যাসে হতে পারে যেসব বিপদ

আপডেটের সময়: ১০:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

স্বাস্থ্য ডেস্ক◼️

গরমে স্বস্তি পেতে অনেকেই সোজা ফ্যানের নিচে ঘুমাতে পছন্দ করেন। ভাবেন, ঠাণ্ডা বাতাসে ঘুম ভালো হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস আপনার শরীরের ওপর ফেলতে পারে নেতিবাচক প্রভাব। প্রথমে কিছু বোঝা না গেলেও দীর্ঘ মেয়াদে শরীর দিতে পারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।

সোজা ফ্যানের বাতাস শরীরে সরাসরি লাগলে মাংসপেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে রাতে শরীর যখন স্থির থাকে, তখন ঠাণ্ডা বাতাস ঘাড়, পিঠ বা কোমরের স্নায়ুতে চাপ সৃষ্টি করে। ফলে ঘুম থেকে উঠে দেখা যায় ঘাড় ব্যথা, পিঠে টান কিংবা মাথাব্যথা দেখা দিয়েছে।

শুধু তাই নয়, ফ্যানের বাতাস শ্বাসনালীকে শুষ্ক করে ফেলে। এতে নাক ও গলার শ্লেষ্মা শুকিয়ে যায়, গলা খুশখুশে লাগে, নাক বন্ধ হয়ে পড়ে এবং কাশি শুরু হয়। যারা অ্যালার্জি বা সাইনাস সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য এটি আরও বিপজ্জনক হতে পারে।

ঘরের বাতাসে ধুলাবালি থাকলে ফ্যানের বাতাস তা দ্রুত ছড়িয়ে দেয়। রাতে দীর্ঘ সময় এই বাতাস শরীরে প্রবেশ করলে শ্বাসকষ্ট বা এলার্জির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমানোর সময় ফ্যানের গতি মাঝারি রাখা উচিত। আর ফ্যান যেন সরাসরি শরীরে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘর ঠাণ্ডা রাখতে চাইলে জানালা খুলে হাওয়া চলাচল নিশ্চিত করা যেতে পারে। আর সম্ভব হলে ব্যবহার করা যেতে পারে ছাদে বা কক্ষে বাতাস ছড়ানো টাইপ ফ্যান (ceiling circulation fan)।

স্বস্তির জন্য সাময়িক আরাম পেলেও, স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কথা মাথায় রেখে রাতে ঘুমানোর অভ্যাসে সচেতন হওয়া জরুরি। কারণ, একটুখানি অসতর্কতাই দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।