Dhaka ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে যা করবেন..

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:৪৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৪১ সময় দেখুন

◼️মাহবুব আলম–কাফরুল

 

অফিসকে একটি পরিবার বা সংসারের মতো ভাবা যায় যেখানে মাঝে মাঝে দ্বন্দ্ব ও মনোমালিন্য তৈরি হয়। তবে অফিসের মানসিক চাপ কমাতে এবং কাজের পরিবেশ উন্নত করতে সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা খুব জরুরি।

শুধুমাত্র শক্তিশালী সহযোগী তৈরি করাই নয়, সফল ও আত্মবিশ্বাসী কর্মী হতে ভালো সহকর্মী হওয়া অপরিহার্য। গবেষণা প্রমাণ করেছে, যারা অফিসে ভালো বন্ধু ও সহকর্মী হয়ে উঠেন তাদের উৎপাদনক্ষমতা অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে। কারণ সহকর্মীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

তবে সবার প্রিয় হওয়া সহজ নয়। অধিকাংশ কর্মী অফিসে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রাখতে চান এবং খুব বেশি ঘনিষ্ঠ হতে কিছুটা ভীতিও অনুভব করেন। এসব পরিস্থিতিতেও ভালো সহকর্মী হওয়ার কিছু কৌশল রয়েছে।

সহকর্মীদের আগ্রহের বিষয় জানুন:

অফিসের বাইরে সহকর্মীরা কী করেন, কখনো জানার চেষ্টা করুন। সহকর্মীর সঙ্গে চা-কফির সময় জানতে পারেন, তিনি ছুটিতে কী করতে পছন্দ করেন বা বাসায় কীভাবে সময় কাটান। এতে সম্পর্ক আরও ভালো হয়।

দ্বন্দ্বমূলক বিষয় এড়িয়ে চলুন:

অফিসের রাজনীতি অনেক সময় সহকর্মীদের মধ্যে বৈষম্য ও অবিশ্বাসের কারণ হয়। তাই চেষ্টা করুন দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে এমন বিষয় থেকে দূরে থাকতে। বদলে এমন বিষয় আলোচনা করুন যা শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখে, যেমন ভালো বই, গান ইত্যাদি।

সদা হাসিখুশি থাকুন:

সহকর্মীদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলুন। অফিসে এসে ‘শুভ সকাল’ এবং যাওয়ার সময় সুন্দর করে বিদায় জানান। এই সাধারণ শিষ্টাচার আপনার প্রতি তাদের ধারণা বদলাতে সাহায্য করে এবং সম্পর্ক সুন্দর রাখে।

মনোযোগ দিয়ে শুনুন:

প্রত্যেকের মতামত আলাদা এবং সেগুলো প্রকাশের অধিকার রয়েছে। অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন যেন তারা অনুভব করেন যে আপনি তাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন। নিজের কথা বলার থেকে বেশি শুনুন।

মোট কথা, নিজের মতো থাকুন এবং ভালো ব্যবহার করুন। সহকর্মীরা তখনই আপনার পাশে থাকবেন যখন আপনি নিজেকে সৎ ও আসল মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে যা করবেন..

আপডেটের সময়: ০৮:৪৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

◼️মাহবুব আলম–কাফরুল

 

অফিসকে একটি পরিবার বা সংসারের মতো ভাবা যায় যেখানে মাঝে মাঝে দ্বন্দ্ব ও মনোমালিন্য তৈরি হয়। তবে অফিসের মানসিক চাপ কমাতে এবং কাজের পরিবেশ উন্নত করতে সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা খুব জরুরি।

শুধুমাত্র শক্তিশালী সহযোগী তৈরি করাই নয়, সফল ও আত্মবিশ্বাসী কর্মী হতে ভালো সহকর্মী হওয়া অপরিহার্য। গবেষণা প্রমাণ করেছে, যারা অফিসে ভালো বন্ধু ও সহকর্মী হয়ে উঠেন তাদের উৎপাদনক্ষমতা অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে। কারণ সহকর্মীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

তবে সবার প্রিয় হওয়া সহজ নয়। অধিকাংশ কর্মী অফিসে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রাখতে চান এবং খুব বেশি ঘনিষ্ঠ হতে কিছুটা ভীতিও অনুভব করেন। এসব পরিস্থিতিতেও ভালো সহকর্মী হওয়ার কিছু কৌশল রয়েছে।

সহকর্মীদের আগ্রহের বিষয় জানুন:

অফিসের বাইরে সহকর্মীরা কী করেন, কখনো জানার চেষ্টা করুন। সহকর্মীর সঙ্গে চা-কফির সময় জানতে পারেন, তিনি ছুটিতে কী করতে পছন্দ করেন বা বাসায় কীভাবে সময় কাটান। এতে সম্পর্ক আরও ভালো হয়।

দ্বন্দ্বমূলক বিষয় এড়িয়ে চলুন:

অফিসের রাজনীতি অনেক সময় সহকর্মীদের মধ্যে বৈষম্য ও অবিশ্বাসের কারণ হয়। তাই চেষ্টা করুন দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে এমন বিষয় থেকে দূরে থাকতে। বদলে এমন বিষয় আলোচনা করুন যা শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখে, যেমন ভালো বই, গান ইত্যাদি।

সদা হাসিখুশি থাকুন:

সহকর্মীদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলুন। অফিসে এসে ‘শুভ সকাল’ এবং যাওয়ার সময় সুন্দর করে বিদায় জানান। এই সাধারণ শিষ্টাচার আপনার প্রতি তাদের ধারণা বদলাতে সাহায্য করে এবং সম্পর্ক সুন্দর রাখে।

মনোযোগ দিয়ে শুনুন:

প্রত্যেকের মতামত আলাদা এবং সেগুলো প্রকাশের অধিকার রয়েছে। অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন যেন তারা অনুভব করেন যে আপনি তাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন। নিজের কথা বলার থেকে বেশি শুনুন।

মোট কথা, নিজের মতো থাকুন এবং ভালো ব্যবহার করুন। সহকর্মীরা তখনই আপনার পাশে থাকবেন যখন আপনি নিজেকে সৎ ও আসল মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।