Dhaka ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুর শহরে বেড়েই চলছে বখাটে সাধারণ মানুষ ও নবীন শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:৪৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৩
  • ৫২১ সময় দেখুন
print news

অনেকে বলেন আমি একা ভালো থাকবো, কে কিভাবে চললো এটা দেখে লাভ কি,নিজে ভালো হলে জগত ভালো।আসলে আপনার আশেপাশের সবাই খারাপ হলে আপনি এককভাবে ভালো চলতে পারবেননা।
উত্তর অঞ্চলের শিক্ষা নগরী বলা হয় রংপুর শহরকে।এখানে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্টুডেন্ট আসে।বেশির ভাগ স্টুডেন্ট গ্রাম থেকে আসে।সহজ সরল মনে রাজারহাট থেকেও এবছর অনেক স্টুডেন্ট একাদশ শ্রেণীতে রংপুরের বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়েছে।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো কয়েকদিন আগে এক স্টুডেন্ট ফোন দিয়ে বলতেছে স্যার আমি মেস থেকে বাহিরে গেছি প্রাইভেট পড়ার জন্য হঠাৎ করে কয়েকটা ছেলে রাস্তায় আটকিয়ে বলতেছে তোর ফোন টাকা দিয়ে দে-না হলে অবস্থা খারাপ আছে।আবার ছুরি বের করে।

আমাকে বলতেছে আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা। বললাম দিনের বেলা এমন করবে,কি বলো।

আজকে আবার ” দৈনিক ক্রাইম তালাশ” রাজারহাট প্রতিনিধি কে জানায় দুইটি স্টুডেন্টের সাথে একই ঘটনা ঘটিয়েছে। লালবাগ, রাধাবল্লভ এলাকায়, হুট করে পিছন দিক থেকে এসে একটা ছেলে পা লাগিয়ে দিয়ে ও নিজেই বলে পা লাগিয়ে দিলে কেন, আর চোখের পলকে ওদের গ্যাং হাজির।
এসেই বলতেছে ফোন টাকা যা আছে দিয়ে দে।না দিতে চাইলে চর থাপ্পড়।
কথা গুলো শুনার পর খুবই কষ্ট হলো।অনেকে বাসাতেও বলতে পারেনা বাবা-মা টেনশন করবে জন্য।
এই যদি হয় আমাদের শহর গুলোর অবস্থা।নিশ্চয়ই এরা নেশায় আসক্ত।আর এই নেশার টাকার জন্যই ওরা এদেরকে এমন আক্রমণ করে।কারণ ওদের ভালো জানা আছে এরা নতুন মেসে এসেছে।

অনেক আশা করে হয়তো আমাকে বলে কিছু হবে কিন্তু আমার তো এতো বড় ক্ষমতা নাই এদের থেকে রক্ষা করতে পারবো।বাধ্য হয়ে একটু সান্ত্বনা দিলাম তোমরা একা বের হইওনা একসাথে কয়েকজন বন্ধু মিলে বের হবা।আমার সাধ্যের মধ্যে কারো বিপদে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি তাকে হেল্প করার।

অনেক ইচ্ছে হয় যদি ঈশ্বর ক্ষমতা দিতো এদের প্রতিরোধ করার মতো।কিন্তু যাদের ক্ষমতা আছে,ইচ্ছে করলে পারবে তারা কখনো এগুলো বন্ধ করবেনা।প্রশাসন চাইলেই এদের খুজে বের করতে পারে।রাজনৈতিক নেতারা চাইলে তো অনেক কিছু করতে পারে।
কিন্তু কে চাবে,আমাদের সমাজে হয়তো আর কয়দিন পর মানুষ বসবাস করার মতো কোন পরিবেশ থাকবেনা।যদিও এখনে পরিবেশ নাই।

এই বিষয় গুলো নিয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করি কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যদি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের একটু উপকার হয়। এটা যে শুধু রাজারহাট থেকে যারা গেছে তাদের সাথে এমন হয়েছে তা নয়।সব জায়গার স্টুডেন্টদের সাথে একই অবস্থা।

রতন কুমার রায়,
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম)

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

রংপুর শহরে বেড়েই চলছে বখাটে সাধারণ মানুষ ও নবীন শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে

আপডেটের সময়: ০৯:৪৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৩
print news

অনেকে বলেন আমি একা ভালো থাকবো, কে কিভাবে চললো এটা দেখে লাভ কি,নিজে ভালো হলে জগত ভালো।আসলে আপনার আশেপাশের সবাই খারাপ হলে আপনি এককভাবে ভালো চলতে পারবেননা।
উত্তর অঞ্চলের শিক্ষা নগরী বলা হয় রংপুর শহরকে।এখানে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্টুডেন্ট আসে।বেশির ভাগ স্টুডেন্ট গ্রাম থেকে আসে।সহজ সরল মনে রাজারহাট থেকেও এবছর অনেক স্টুডেন্ট একাদশ শ্রেণীতে রংপুরের বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়েছে।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো কয়েকদিন আগে এক স্টুডেন্ট ফোন দিয়ে বলতেছে স্যার আমি মেস থেকে বাহিরে গেছি প্রাইভেট পড়ার জন্য হঠাৎ করে কয়েকটা ছেলে রাস্তায় আটকিয়ে বলতেছে তোর ফোন টাকা দিয়ে দে-না হলে অবস্থা খারাপ আছে।আবার ছুরি বের করে।

আমাকে বলতেছে আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা। বললাম দিনের বেলা এমন করবে,কি বলো।

আজকে আবার ” দৈনিক ক্রাইম তালাশ” রাজারহাট প্রতিনিধি কে জানায় দুইটি স্টুডেন্টের সাথে একই ঘটনা ঘটিয়েছে। লালবাগ, রাধাবল্লভ এলাকায়, হুট করে পিছন দিক থেকে এসে একটা ছেলে পা লাগিয়ে দিয়ে ও নিজেই বলে পা লাগিয়ে দিলে কেন, আর চোখের পলকে ওদের গ্যাং হাজির।
এসেই বলতেছে ফোন টাকা যা আছে দিয়ে দে।না দিতে চাইলে চর থাপ্পড়।
কথা গুলো শুনার পর খুবই কষ্ট হলো।অনেকে বাসাতেও বলতে পারেনা বাবা-মা টেনশন করবে জন্য।
এই যদি হয় আমাদের শহর গুলোর অবস্থা।নিশ্চয়ই এরা নেশায় আসক্ত।আর এই নেশার টাকার জন্যই ওরা এদেরকে এমন আক্রমণ করে।কারণ ওদের ভালো জানা আছে এরা নতুন মেসে এসেছে।

অনেক আশা করে হয়তো আমাকে বলে কিছু হবে কিন্তু আমার তো এতো বড় ক্ষমতা নাই এদের থেকে রক্ষা করতে পারবো।বাধ্য হয়ে একটু সান্ত্বনা দিলাম তোমরা একা বের হইওনা একসাথে কয়েকজন বন্ধু মিলে বের হবা।আমার সাধ্যের মধ্যে কারো বিপদে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি তাকে হেল্প করার।

অনেক ইচ্ছে হয় যদি ঈশ্বর ক্ষমতা দিতো এদের প্রতিরোধ করার মতো।কিন্তু যাদের ক্ষমতা আছে,ইচ্ছে করলে পারবে তারা কখনো এগুলো বন্ধ করবেনা।প্রশাসন চাইলেই এদের খুজে বের করতে পারে।রাজনৈতিক নেতারা চাইলে তো অনেক কিছু করতে পারে।
কিন্তু কে চাবে,আমাদের সমাজে হয়তো আর কয়দিন পর মানুষ বসবাস করার মতো কোন পরিবেশ থাকবেনা।যদিও এখনে পরিবেশ নাই।

এই বিষয় গুলো নিয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করি কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যদি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের একটু উপকার হয়। এটা যে শুধু রাজারহাট থেকে যারা গেছে তাদের সাথে এমন হয়েছে তা নয়।সব জায়গার স্টুডেন্টদের সাথে একই অবস্থা।

রতন কুমার রায়,
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম)