
◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর(যশোর)
যশোরের কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসায় সাবেক অধ্যক্ষ ফসিয়ার রহমানের পুনরায় যোগদানের প্রচেষ্টা ঘিরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, অর্থবাণিজ্য ও নানা অনিয়মের মাধ্যমে তিনি পুনরায় প্রতিষ্ঠানে ফিরতে চাইছেন।
মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছিলেন ফসিয়ার রহমান। আন্দোলনের মূল দাবি ছিল প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্য, তহবিল আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার অবসান। তাদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এর মধ্যে সাধারণ তহবিল, এতিমখানা, নুরানী বিভাগ ও সরকারি অনুদানের বড় অঙ্কের অর্থের হিসাব নেই।
শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি তিনি পুনরায় প্রতিষ্ঠানে যোগদানের চেষ্টা করেন, তবে কঠোর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবেন। তাদের দাবি, যিনি অনিয়মের কারণে পদত্যাগ করেছেন, তার আর কোনোভাবেই মাদ্রাসার দায়িত্বে ফেরা উচিত নয়।
এদিকে অধ্যক্ষ ফসিয়ার রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তাকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কুচক্রীমহলের প্ররোচনায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে, যাতে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করা যায়।
বর্তমানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এই ঘটনা। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অনিয়মে জড়িতদের আর কোনো সুযোগ না দেওয়া হয়।
প্রতিবেদকের নাম 






















