
মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: শনিবার (২৩ডিসেম্বর ) দুপুরে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায় এমন চিত্র। ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে রত্নাই নদী। নদীর দুই পাড়ে গ্রামে বাস করেন ১ হাজার মানুষ।
ইউনিয়নকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে নদীটি। ইউনিয়নের মানুষ দীর্ঘদিন থেকে ওই নদীর উপর সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসলেও কোন ফল পাওয়া যায় নি।এখান দিয়েই পাড় হয় কৃষক, ব্যবসায়ী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
তবে বর্ষা মৌসুমে পরতে হয় চরম দুর্ভোগে। তখন নদী পারাপারে নৌকাই তাদের একমাত্র ভরসা।
স্থানীয়রা জানান, দুই গ্রামের কৃষকের উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা হন ক্ষতির সম্মুখীন। রোগীসহ পণ্য পরিবহনের জন্য বিকল্প পথে ৫-৬ কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হয়। এতে বেড়ে যায় পরিবহন খরচ।
ওই এলাকার অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রমজান আলী জানান, এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ অতীব জরুরি। গ্রামের এপারের অনেকের জমি রয়েছে ওপারে আবার ওপারের অনেকের জমি রয়েছে এপারে। ফলে উৎপাদিত পণ্য পারাপারে সমস্যায় পড়ছেন কৃষকরা।
এছাড়া গ্রামে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাস প্রবেশ করতে না পারায় রোগী নিয়ে পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। একটি সেতুর জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বার বার আবেদন জানিয়েও সারা পাইনি।
তবে নদীতে ব্রিজ নির্মাণ হলে দুর্গাপুর ডিগ্রীচর গ্রামের সহ আশপাশের গ্রামের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হবে। বদলে যাবে গ্রামীণ অর্থনীতি।এখানকার জনদুর্ভোগ সম্পর্কে বিজেপি ক্যাম্পের এক সদস্য বলেন আমরা ২৪ ঘন্টা সীমানা পাহারা দিয়ে থাকি।অনেক সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ার কারণে অপরাধীরা অপরাধ করে দ্রুত পালিয়ে যায় যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হলে তাদেরকে ধরা সম্ভব হত।স্কুল শিক্ষার্থী আসমানি আয়েশা খাদিজা জিহাদ বলেন আমাদের কাপড়-চোপড় অনেক সময় ভিজে যায় যোগাযোগ ভালো না থাকার কারণে অনেক সময় আমরা স্কুলে যেতে পারি না। আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ার কারণে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্গাপুর ইউনিয়নের মেম্বার আশরাফুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী বলেন ডিজিটাল বাংলাদেশে আমরা ডিজিটাল সেবা থেকে বঞ্চিত। সরকারের প্রতি আমার এখানে যেন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত জন্য একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়।
প্রতিবেদকের নাম 




















