Dhaka ০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চিকিৎসাকেন্দ্রে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ লাখ টাকার অবৈধ সার জব্দ, চালক ও হেলপারকে জরিমানা দায়িত্বশীলদের দক্ষতা বাড়াতে ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে অনলাইন জুয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রামুতে কাভার্ড ভ্যান-সিএনজি সংঘর্ষে উখিয়ার দুই বোনসহ নিহত ৩ হাওরের শিক্ষায় যুগান্তকারী বদল, আসছে নতুন পরিকল্পনা নরসিংদীর মাধবদী হাটে কোটি টাকার অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, ৩ জনের জরিমানা কদমতলীতে আড়াই লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার ২ কাফরুলে যুবদল কর্মী হত্যা, ৭ জন গ্রেফতার নরসিংদীতে বাসে অভিযান, দেড় হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভেঙে দুই বিভাগে পুনর্গঠন: রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনায় নতুন অধ্যায়

print news

মোঃ শাহারিয়ার নাজিম শুভ- ঢাকা ◾

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ১২ মে, সোমবার রাতে সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগে পুনর্গঠন করে একটি নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে। নবগঠিত দুটি বিভাগ হচ্ছে রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

নতুন এই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ”রাজস্ব নীতি বিভাগ”মূলত কর আইন প্রয়োগের তদারকি, কর ব্যবস্থার মূল্যায়ন এবং কর আদায়ের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে। তবে এ বিভাগের দায়িত্বে খুব বেশি পরিবর্তন আনা হয়নি, বরং আগে থেকে বিদ্যমান কাঠামোর সামান্য পরিমার্জন করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ সরাসরি প্রশাসনিক ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই বিভাগে অ্যাডমিন ক্যাডার, আয়কর ক্যাডার, এবং কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রশাসনিক পদগুলো পূরণ করা হবে। এটি নিশ্চিত করবে রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং সমন্বয়ের উন্নতি।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এনবিআরের পুরনো জনবল এখন থেকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় থাকবে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী এই জনবল থেকে কিছু অংশ রাজস্ব নীতি বিভাগে স্থানান্তর করা যাবে। একইসাথে, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে তার জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই সংস্কারের মাধ্যমে কর ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। একইসাথে, প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে দীর্ঘদিনের নানা অসংগতি দূর করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবেও এই পরিবর্তনকে দেখা হচ্ছে।

এই নতুন অধ্যায় কর প্রশাসনে কতটা কার্যকর হয় তা নির্ভর করবে ভবিষ্যতের বাস্তবায়নের ওপর। তবে, পরিবর্তনের মাধ্যমে কর ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের চেষ্টা যে গতি পেয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

চিকিৎসাকেন্দ্রে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভেঙে দুই বিভাগে পুনর্গঠন: রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনায় নতুন অধ্যায়

আপডেটের সময়: ০৯:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
print news

মোঃ শাহারিয়ার নাজিম শুভ- ঢাকা ◾

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ১২ মে, সোমবার রাতে সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগে পুনর্গঠন করে একটি নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে। নবগঠিত দুটি বিভাগ হচ্ছে রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

নতুন এই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ”রাজস্ব নীতি বিভাগ”মূলত কর আইন প্রয়োগের তদারকি, কর ব্যবস্থার মূল্যায়ন এবং কর আদায়ের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে। তবে এ বিভাগের দায়িত্বে খুব বেশি পরিবর্তন আনা হয়নি, বরং আগে থেকে বিদ্যমান কাঠামোর সামান্য পরিমার্জন করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ সরাসরি প্রশাসনিক ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই বিভাগে অ্যাডমিন ক্যাডার, আয়কর ক্যাডার, এবং কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রশাসনিক পদগুলো পূরণ করা হবে। এটি নিশ্চিত করবে রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং সমন্বয়ের উন্নতি।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এনবিআরের পুরনো জনবল এখন থেকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় থাকবে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী এই জনবল থেকে কিছু অংশ রাজস্ব নীতি বিভাগে স্থানান্তর করা যাবে। একইসাথে, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে তার জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই সংস্কারের মাধ্যমে কর ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। একইসাথে, প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে দীর্ঘদিনের নানা অসংগতি দূর করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবেও এই পরিবর্তনকে দেখা হচ্ছে।

এই নতুন অধ্যায় কর প্রশাসনে কতটা কার্যকর হয় তা নির্ভর করবে ভবিষ্যতের বাস্তবায়নের ওপর। তবে, পরিবর্তনের মাধ্যমে কর ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের চেষ্টা যে গতি পেয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।