Dhaka ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নরসিংদীর মাধবদীতে চাঞ্চল্যকর খুন ও ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৭ সুনামগঞ্জের ধোপাজান চলতি নদী রক্ষায় মানববন্ধন: অবৈধ বালু লুটপাট বন্ধ ও ইজারার দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারিদের বাড়িতে লাল চিহ্ন দেওয়ার হুঁশিয়ারি জেলা পুলিশের ইউপি নির্বাচন, চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সিরাজগঞ্জের জামায়াত নেতা বুলবুল আহমাদ জুলাই অভ্যুত্থানে আহত আফজল হুসাইনের মানবসেবার স্বীকৃতি ও সরকারি চাকরির দাবি কালিয়াকৈরে উচ্ছেদ অভিযানের দুই বছর না পেরুতেই ফের বনভূমি দখল, উল্টো সাংবাদিকদের হুমকি বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠন: সভাপতি জসিম উদ্দিন, সম্পাদক নাজিম উদ্দীন নরসিংদীর পলাশে সরকারি সেবার মানোন্নয়নে জেলা প্রশাসকের বিশেষ দিকনির্দেশনা ঠাকুরগাঁওকে মাদকমুক্ত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর উত্তরা পশ্চিম থানার অভিযান, ১১ আইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গ্রেফতার ৬

মাধবপুরে হাসিনার পতনের পরেও যুবলীগ নেতার আতংকে পাড়া প্রতিবেশী

print news

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা মাহফুজ মিয়া। আওয়ামী শাসনামলে দীর্ঘ ১৫ বছর গ্রামের পাড়া প্রতিবেশীর কাছে সে ছিল এক আতংক। হাসিনার পতনের পরেও সে গ্রামের কাউকে তোয়াক্কা করে না।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, সে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে মিঠাপুকুর তার এলাকায় সব সময় নিরীহ মানুষদের মধ্যে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করেছে। তার বিরুদ্ধে ভূমি দখলের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ পাড়া প্রতিবেশীর দীর্ঘদিনের।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর অধিকাংশ নেতাকর্মী এলাকা ছাড়া হলেও মাহফুজ মিয়া এখনো এলাকায় বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
জানা যায়, মিঠাপুকুর গ্রামের সোনাব আলীর ছেলে মাহফুজ মিয়া।তার বাবা ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, মাহফুজ মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এই মানুষটি দখলদার।সে জায়গা দখল করেছে গ্রামের মানুষ মিমাংসা করলেও সে তা মানতে রাজি না,সে উসকানি দিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে ঝগড়া করেছে,আবার সে নিজেই মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করছে তাকে সহযোগিতা করছে বিএনপির কিছু নেতা এবং পুলিশ প্রশাসন।

সম্প্রতি মাহফুজ মিয়ার দখলের শিকার হওয়া কয়েকজন ভুক্তভোগী তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।

আবুল হোসেন জানান,মাহফুজ যে বাড়িতে আছে এই বাড়িটিতে জোরপূর্বক ৩ শতক জায়গা বেশি দখল করে আছে গ্রামের প্রত্যেকটি মানুষ স্বাক্ষী।আমরা নিরীহ মানুষ তাই তার প্রতিবাদ করতে পারি না।তার অনেক কর্মকাণ্ড আছে যে গুলো খুবই জগন্য।

আবুল হোসেন বলেন,মাহফুজ মিয়া সে আওয়ামী লীগের দূসর সে হাসিনার সময় আমাদের জায়গা দখল করেছে এতদিন আমরা প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি এখন প্রতিবাদ করি কিন্তু সে এখনো আগের মতই ক্ষমতা দেখায়।গ্রামের বিএনপির কিছু লোক তার সাথে আছে,তারা বলে মাহফুজ না কি এখন বিএনপি করে।

সপন মিয়া বলেন, আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত আওয়ামী শাসনামল থেকে সে আমাকে বহুবার হুমকী দিয়েছে, আমাকে রাজনৈতিক ভাবে হয়রানির চেষ্টা করেছে তার দলীয় প্রভাব দেখিয়ে জায়গা জমিও জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।

মাহফুজের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে সে জানায়,আমি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে গেছি এই বলে কি আমি আওয়ামী লীগ হয়ে গেছি,বিএনপির অনেক নেতাও তো আছে আওয়ামী লীগের এমপি কে ফুল দিয়েছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

নরসিংদীর মাধবদীতে চাঞ্চল্যকর খুন ও ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৭

মাধবপুরে হাসিনার পতনের পরেও যুবলীগ নেতার আতংকে পাড়া প্রতিবেশী

আপডেটের সময়: ১০:৩২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
print news

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা মাহফুজ মিয়া। আওয়ামী শাসনামলে দীর্ঘ ১৫ বছর গ্রামের পাড়া প্রতিবেশীর কাছে সে ছিল এক আতংক। হাসিনার পতনের পরেও সে গ্রামের কাউকে তোয়াক্কা করে না।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, সে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে মিঠাপুকুর তার এলাকায় সব সময় নিরীহ মানুষদের মধ্যে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করেছে। তার বিরুদ্ধে ভূমি দখলের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ পাড়া প্রতিবেশীর দীর্ঘদিনের।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর অধিকাংশ নেতাকর্মী এলাকা ছাড়া হলেও মাহফুজ মিয়া এখনো এলাকায় বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
জানা যায়, মিঠাপুকুর গ্রামের সোনাব আলীর ছেলে মাহফুজ মিয়া।তার বাবা ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, মাহফুজ মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এই মানুষটি দখলদার।সে জায়গা দখল করেছে গ্রামের মানুষ মিমাংসা করলেও সে তা মানতে রাজি না,সে উসকানি দিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে ঝগড়া করেছে,আবার সে নিজেই মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করছে তাকে সহযোগিতা করছে বিএনপির কিছু নেতা এবং পুলিশ প্রশাসন।

সম্প্রতি মাহফুজ মিয়ার দখলের শিকার হওয়া কয়েকজন ভুক্তভোগী তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।

আবুল হোসেন জানান,মাহফুজ যে বাড়িতে আছে এই বাড়িটিতে জোরপূর্বক ৩ শতক জায়গা বেশি দখল করে আছে গ্রামের প্রত্যেকটি মানুষ স্বাক্ষী।আমরা নিরীহ মানুষ তাই তার প্রতিবাদ করতে পারি না।তার অনেক কর্মকাণ্ড আছে যে গুলো খুবই জগন্য।

আবুল হোসেন বলেন,মাহফুজ মিয়া সে আওয়ামী লীগের দূসর সে হাসিনার সময় আমাদের জায়গা দখল করেছে এতদিন আমরা প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি এখন প্রতিবাদ করি কিন্তু সে এখনো আগের মতই ক্ষমতা দেখায়।গ্রামের বিএনপির কিছু লোক তার সাথে আছে,তারা বলে মাহফুজ না কি এখন বিএনপি করে।

সপন মিয়া বলেন, আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত আওয়ামী শাসনামল থেকে সে আমাকে বহুবার হুমকী দিয়েছে, আমাকে রাজনৈতিক ভাবে হয়রানির চেষ্টা করেছে তার দলীয় প্রভাব দেখিয়ে জায়গা জমিও জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।

মাহফুজের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে সে জানায়,আমি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে গেছি এই বলে কি আমি আওয়ামী লীগ হয়ে গেছি,বিএনপির অনেক নেতাও তো আছে আওয়ামী লীগের এমপি কে ফুল দিয়েছে।