Dhaka ০৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চিকিৎসাকেন্দ্রে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ লাখ টাকার অবৈধ সার জব্দ, চালক ও হেলপারকে জরিমানা দায়িত্বশীলদের দক্ষতা বাড়াতে ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে অনলাইন জুয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রামুতে কাভার্ড ভ্যান-সিএনজি সংঘর্ষে উখিয়ার দুই বোনসহ নিহত ৩ হাওরের শিক্ষায় যুগান্তকারী বদল, আসছে নতুন পরিকল্পনা নরসিংদীর মাধবদী হাটে কোটি টাকার অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, ৩ জনের জরিমানা কদমতলীতে আড়াই লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার ২ কাফরুলে যুবদল কর্মী হত্যা, ৭ জন গ্রেফতার নরসিংদীতে বাসে অভিযান, দেড় হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

সৈয়দপুর পৌরসভায় বাড়ছে সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে নাগরিক সুবিধা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০২:৫৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৫৮ সময় দেখুন
print news

মোঃ আরমান আলী,সৈয়দপুর প্রতিনিধি: সৈয়দপুর হল প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা। নীলফামারী জেলার চারটি পৌরসভার মধ্যে সৈয়দপুর পৌরসভা সর্বপ্রথম প্রথম শ্রেণির মর্যাদা লাভ করে। এটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আয়তন ৩৪ দশমিক ৩৪ বর্গকিলোমিটার। প্রথমে এটি তৃতীয় শ্রেণির পৌরসভা থাকলেও পরবর্তীতে এটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। বর্তমানে ১৫টি ওয়ার্ড নিয়ে এ পৌরসভা গঠিত। মহলার সংখ্যা ৪৩টি। লোকসংখ্যা প্রায় ৪ লাখ। সড়ক ১১০ কিলোমিটার। এ পৌরস- ভায় বেশ কয়েকবার মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন সরকার। তিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে পৌরসভা পরিচালনা করেছেন। মুলত তিনিই পৌরসভাকে ঢেলে সাজান। এ পৌরসভার নিজস্ব সম্পদ তেমন একটা নেই। তবুও বিভিন্ন আয় থেকে তিল তিল করে করা হয় উন্নয়নমুলক কাজ। দেয়া হয় নাগরিক সেবা। পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারিরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবুও কতিপয় নিন্দুকেরা অপপ্রচার করে চলছে। এমন কথা জানালেন পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারি এসোসিয়েশনের সভাপতি আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক সুজন শাহ। তারা ওই সমস্ত অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান। পৌরসভার প্রকৌশলী আব্দুল খালেক জানান, ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে পট পরিবর্তনে আওয়ামী লীগের মেয়র সহ কাউন্সিলররা বাতিল হয়ে যায়।
পৌরসভার দায়িত্ব পান সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুর-ই-আলম সিদ্দিকী। তিনি দায়িত্বে আসার পর আরো নিয়মতান্ত্রিক- ভাবে পরিচালিত হচ্ছে পৌরসভা। নাগরিক সেবা পেয়েছে বৃদ্ধি। শহরের সড়কগুলো থাকছে অত্যন্ত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। পৌর কর্মকর্তা কর্মচারিদের তদারকির কারণে নাগরিক সেবা বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো করা হচ্ছে সংস্কার। স্টিট লাইট জ্বলছে। ফলে রাতের বেলাও যেন দিন মনে হয় এ শহর। পৌরসভার প্রধান হিসাব রক্ষক আবু তাহের বলেন, আমাদের যে সকল আয়ের খাত রয়েছে তা পুঙ্খানু পুঙ্খানুভাবে নজরে রাখছেন প্রশাসক মহোদয়। প্রতিদিন বিভিন্ন খাত থেকে যে আয় হয় তা পূর্বের ন্যায় ব্যাংকে জমা করা হয়। এখানে কোন অনিয়মের সুযোগ নেই। পৌর কর্মকর্তা কর্মচারি এসোসিয়েশন সৈয়দপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক সুজন শাহ বলেন, পৌরসভায় কোন সিন্ডিকেট নেই। নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নাগরিকরা যখন যে সেবা নিতে আসেন আমরা সেটি যত দ্রুত সম্ভব করে দিয়ে থাকি। তাদের কাছ থেকে কোন ধরণের উৎকোচ গ্রহণ করা হয় না। পৌরসভা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বরাদ্দকৃত ২৫.৭৫ একর জমি বরাদ্দ নেয়। তার মধ্যে থেকে পৌরসভা কাজ করছে। নাগরিক সেবা নিয়ে কথা হয় পৌর প্রশাসক ও সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নুর-ই-আলম সিদ্দিকীর সাথে। তিনি বলেন, আগের তুলনায় সেবার মান বেড়েছে। পৌরসভায় এখন সব কিছু চলছে একটা সুন্দর নিয়মে। তারপরেও যদি নাগরিকদের কোন অভিযোগ থাকে তা আমাকে জানালে সমাধানের চেষ্ঠা করা হবে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

চিকিৎসাকেন্দ্রে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ

সৈয়দপুর পৌরসভায় বাড়ছে সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে নাগরিক সুবিধা

আপডেটের সময়: ০২:৫৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
print news

মোঃ আরমান আলী,সৈয়দপুর প্রতিনিধি: সৈয়দপুর হল প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা। নীলফামারী জেলার চারটি পৌরসভার মধ্যে সৈয়দপুর পৌরসভা সর্বপ্রথম প্রথম শ্রেণির মর্যাদা লাভ করে। এটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আয়তন ৩৪ দশমিক ৩৪ বর্গকিলোমিটার। প্রথমে এটি তৃতীয় শ্রেণির পৌরসভা থাকলেও পরবর্তীতে এটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। বর্তমানে ১৫টি ওয়ার্ড নিয়ে এ পৌরসভা গঠিত। মহলার সংখ্যা ৪৩টি। লোকসংখ্যা প্রায় ৪ লাখ। সড়ক ১১০ কিলোমিটার। এ পৌরস- ভায় বেশ কয়েকবার মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন সরকার। তিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে পৌরসভা পরিচালনা করেছেন। মুলত তিনিই পৌরসভাকে ঢেলে সাজান। এ পৌরসভার নিজস্ব সম্পদ তেমন একটা নেই। তবুও বিভিন্ন আয় থেকে তিল তিল করে করা হয় উন্নয়নমুলক কাজ। দেয়া হয় নাগরিক সেবা। পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারিরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবুও কতিপয় নিন্দুকেরা অপপ্রচার করে চলছে। এমন কথা জানালেন পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারি এসোসিয়েশনের সভাপতি আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক সুজন শাহ। তারা ওই সমস্ত অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান। পৌরসভার প্রকৌশলী আব্দুল খালেক জানান, ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে পট পরিবর্তনে আওয়ামী লীগের মেয়র সহ কাউন্সিলররা বাতিল হয়ে যায়।
পৌরসভার দায়িত্ব পান সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুর-ই-আলম সিদ্দিকী। তিনি দায়িত্বে আসার পর আরো নিয়মতান্ত্রিক- ভাবে পরিচালিত হচ্ছে পৌরসভা। নাগরিক সেবা পেয়েছে বৃদ্ধি। শহরের সড়কগুলো থাকছে অত্যন্ত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। পৌর কর্মকর্তা কর্মচারিদের তদারকির কারণে নাগরিক সেবা বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো করা হচ্ছে সংস্কার। স্টিট লাইট জ্বলছে। ফলে রাতের বেলাও যেন দিন মনে হয় এ শহর। পৌরসভার প্রধান হিসাব রক্ষক আবু তাহের বলেন, আমাদের যে সকল আয়ের খাত রয়েছে তা পুঙ্খানু পুঙ্খানুভাবে নজরে রাখছেন প্রশাসক মহোদয়। প্রতিদিন বিভিন্ন খাত থেকে যে আয় হয় তা পূর্বের ন্যায় ব্যাংকে জমা করা হয়। এখানে কোন অনিয়মের সুযোগ নেই। পৌর কর্মকর্তা কর্মচারি এসোসিয়েশন সৈয়দপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক সুজন শাহ বলেন, পৌরসভায় কোন সিন্ডিকেট নেই। নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নাগরিকরা যখন যে সেবা নিতে আসেন আমরা সেটি যত দ্রুত সম্ভব করে দিয়ে থাকি। তাদের কাছ থেকে কোন ধরণের উৎকোচ গ্রহণ করা হয় না। পৌরসভা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বরাদ্দকৃত ২৫.৭৫ একর জমি বরাদ্দ নেয়। তার মধ্যে থেকে পৌরসভা কাজ করছে। নাগরিক সেবা নিয়ে কথা হয় পৌর প্রশাসক ও সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নুর-ই-আলম সিদ্দিকীর সাথে। তিনি বলেন, আগের তুলনায় সেবার মান বেড়েছে। পৌরসভায় এখন সব কিছু চলছে একটা সুন্দর নিয়মে। তারপরেও যদি নাগরিকদের কোন অভিযোগ থাকে তা আমাকে জানালে সমাধানের চেষ্ঠা করা হবে।