
কামরুল ইসলাম–চট্টগ্রাম থেকে◼️
দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য ও পটিয়া উপজেলার শোভনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শামসেদ হিরুর মৃত্যু ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা। শুক্রবার সকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এটি আত্মহত্যা না পরিকল্পিত কোনো হত্যাকাণ্ড—এ নিয়ে এলাকাজুড়ে চলছে জোর আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত তিনি চায়ের দোকানে আড্ডা দেন। রাতে নিজ ঘরে না ফিরে প্রতিদিনের মতো পাশের একটি কাচারিঘরে রাত কাটাতে যান। ভোরে স্ত্রী ডাকতে গিয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে তার বুকে রক্তের দাগ দেখতে পান বলে জানায় পরিবার।
নিহতের পরিবার ও একাধিক প্রতিবেশীর দাবি—শরীরে রক্ত থাকায় এটি নিছক আত্মহত্যা নয়, বরং হতে পারে পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
পটিয়া থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নাক-মুখ দিয়ে রক্ত পড়া আত্মহত্যার ক্ষেত্রেও হতে পারে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।
হিরু ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং স্থানীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ। তার মৃত্যুর খবর শুনে এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর পেছনে সম্ভাব্য সব দিক বিবেচনায় তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 






















