Dhaka ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে শুল্কমুক্ত মহিষের একটি চালান ভারত থেকে আমদানী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:০৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৩
  • ৫১৩ সময় দেখুন

আঃজলিল, স্টাফ রিপোর্টারঃ
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে শুল্কমুক্ত মহিষের একটি বড় চালান ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে। শনিবার (১৪ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ভারতের হরিয়ানা থেকে ৭টি ট্রাকে ছোট-বড় মোট ১০৪ টি মহিষ ৫দিন পর বেনাপোল বন্দরে পৌছায়।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মহিষগুলো বাগেরহাটের ফকিরহাটে মহিষ উন্নয়ন প্রকল্প খামারে যাবে। দুধ উৎপাদনের জন্য ৪৮টি বড় গাভি, ৪৮টি বাছুর ও ৮টি ষাড় (প্রজনন) আমদানির দরপত্র দেওয়া হয়। বাংলাদেশের আমদানিকারক জেনটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড মহিষগুলো ভারত থেকে আমদানি করে। ভারতের রফতানিকারক নোরায়াল ডেইরি ফার্ম।
শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিনয় কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, মহিষগুলো বাগেরহাটের ফকিরহাট মহিষ উন্নয়ন প্রকল্প খামারে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে মহিষগুলো ভালো পাওয়া গেছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের সরকারি শুল্ক আদায় করে যথাযথভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজ খান মহিষ আমদানির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মহিষগুলো বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে খালাস নিতে মুক্তি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বিকালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শুল্কায়ন করার পর খালাস দেওয়া হবে। মহিষের আমদানি মূল্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এক লাখ ১৭ হাজার ৬৪৭ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার। এসব মহিষের কোনো আমদানি শুল্ক নেই। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগের ছাড়পত্র নিতে হবে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে শুল্কমুক্ত মহিষের একটি চালান ভারত থেকে আমদানী

আপডেটের সময়: ০৫:০৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৩

আঃজলিল, স্টাফ রিপোর্টারঃ
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে শুল্কমুক্ত মহিষের একটি বড় চালান ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে। শনিবার (১৪ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ভারতের হরিয়ানা থেকে ৭টি ট্রাকে ছোট-বড় মোট ১০৪ টি মহিষ ৫দিন পর বেনাপোল বন্দরে পৌছায়।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মহিষগুলো বাগেরহাটের ফকিরহাটে মহিষ উন্নয়ন প্রকল্প খামারে যাবে। দুধ উৎপাদনের জন্য ৪৮টি বড় গাভি, ৪৮টি বাছুর ও ৮টি ষাড় (প্রজনন) আমদানির দরপত্র দেওয়া হয়। বাংলাদেশের আমদানিকারক জেনটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড মহিষগুলো ভারত থেকে আমদানি করে। ভারতের রফতানিকারক নোরায়াল ডেইরি ফার্ম।
শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিনয় কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, মহিষগুলো বাগেরহাটের ফকিরহাট মহিষ উন্নয়ন প্রকল্প খামারে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে মহিষগুলো ভালো পাওয়া গেছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের সরকারি শুল্ক আদায় করে যথাযথভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজ খান মহিষ আমদানির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মহিষগুলো বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে খালাস নিতে মুক্তি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বিকালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শুল্কায়ন করার পর খালাস দেওয়া হবে। মহিষের আমদানি মূল্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এক লাখ ১৭ হাজার ৬৪৭ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার। এসব মহিষের কোনো আমদানি শুল্ক নেই। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগের ছাড়পত্র নিতে হবে।