
◼️এস এম রুহুল তাড়াশী–চলনবিল
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে পুকুরপাড়ের জমি ব্যবহার করে কলা চাষে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হয়েছে। মাছের পাশাপাশি কলা চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক। এতে তাদের আয় যেমন বাড়ছে, তেমনি কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা হচ্ছে।
তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের কালিদাস নিলী গ্রামের কৃষক সোলেমান সরদার এরই সফল উদাহরণ। কৃষির প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি তিন বছর আগে সাড়ে চার বিঘা জমিতে কলার বাগান গড়ে তোলেন। বর্তমানে তার বাগানে তিন জাতের এক হাজারেরও বেশি কলাগাছ রয়েছে।
তিনি জানান, ২০২২ সালে মাত্র ১৫ টাকা দরে ৩০০টি কলা চারা রোপণ করেছিলেন। ঝড়ে কিছু গাছ নষ্ট হলেও আয় ছিল সন্তোষজনক। বিঘাপ্রতি প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হলেও বছরে এক থেকে দেড় লাখ টাকা লাভ হচ্ছে তার। প্রতি কাঁদি কলা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়, আর পাইকাররা বাগান থেকেই কিনে নিয়ে যান।
সোলেমান শুধু কলা নয়, লাউ, পটল, কুমড়া সহ নানা সবজিও চাষ করেন। যদিও বর্ষাকালে পুকুরপাড়ে যাতায়াতের মাধ্যম একমাত্র নৌকা, তবুও কৃষিকাজে তার আগ্রহ কমেনি।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি বছর উপজেলায় প্রায় ২২০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে। এর বড় অংশই পুকুরপাড়ের জমি ব্যবহার করে। স্থানীয় কৃষকদের মতে, মাছের পাশাপাশি কলা ও সবজি চাষ এখন লাভজনক মডেল হয়ে উঠছে, যা তাড়াশের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















