
আলআমিন–নরসিংদী◼️
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পিআইও (প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস) অফিসে সরকারি প্রকল্প কাবিখা/টিআর-এর ৫২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা জালিয়াতির অভিযোগে দুই কর্মচারীকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলা প্রশাসন ও এনএসআইয়ের যৌথ অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে সরকারি অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গত ১৫ জুন টিআর/কাবিখা প্রকল্পের ১৯১টি বিল হিসাবরক্ষণ অফিসে দাখিল করেন। বাজেট না থাকায় ৮১টি বিল ভাউচার হয় ২৬ জুন। এনএসআই’র নজরে বিষয়টি আসার পর ২৮ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চলে গোপন অনুসন্ধান। এতে পিআইও অফিসের দুই কর্মচারী—তুহিন (কার্য সহকারী) ও আশিক (আউটসোর্সিংয়ের পিয়ন) জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি টাকা উত্তোলনের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলে।
এনএসআই কর্তৃক সংগৃহীত ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজ, আশিকের স্বীকারোক্তি ও অন্যান্য প্রমাণাদি জেলা প্রশাসকের কাছে উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সোমবার দিবাগত রাত ১২:৩০টায় শিবপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্তদের আটক করে।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত ৫২ লাখ ৭৮ হাজার টাকার মধ্যে ৫২ লাখ টাকা পুলিশের নিকট জমা দেয় বলে জানা গেছে।
শিবপুর সোনালী ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পিআইও অফিসের সহকারী তুহিন ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে ইউএনও-কে না দেওয়ার কথা বলেন এবং ব্যাংক কর্মকর্তাদের দোষারোপ করেন। পরে গোয়েন্দা সংস্থার তদারকিতে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ পায়।
বর্তমানে অভিযুক্ত দুইজন শিবপুর মডেল থানায় পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এই ঘটনায় শিবপুর উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















