Dhaka ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

বাংলাদেশে নির্বাচনবিহীন শাসনের ইতিহাস

দেলোয়ার খান,নিজস্ব প্রতিবেদক:
১. শেখ মুজিবুর রহমান – স্বাধীনতার পর প্রায় ১.৫ বছর নির্বাচন ছাড়াই শাসন করেন (১৯৭২-৭৩)।
২. জিয়াউর রহমান – সামরিক শাসক হিসেবে ৪.৫ বছর ক্ষমতায় ছিলেন (১৯৭৫-৮১), পরে নির্বাচন দেন।
৩. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ – প্রায় ১০ বছর সামরিক শাসন চালান (১৯৮২-৯০), পরে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন।
৪. ২০০৬ সালে খালেদা জিয়া – তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ক্ষমতায় ছিলেন (বিতর্কিত পরিস্থিতি)।
৫. শেখ হাসিনা (২০১৪-২০২৪) – বিরোধী দলের অংশগ্রহণবিহীন একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে টানা ১০ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।

প্রশ্ন: এই দীর্ঘ সময়ে জনগণের ভোটের অধিকার কোথায় ছিল? আর আজ যখন বাংলাদেশের মানুষ তাদের পছন্দের নেতা পেয়েছে, তখন কেবল ২টি দল “নির্বাচন চাই” বলে চিৎকার করছে।

যুক্তি:
– বিপ্লবী সরকারের ক্ষেত্রে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়ে না, কারণ বিপ্লবই তাদের স্বয়ংক্রিয় বৈধতা দেয়।
– বিশ্ব ইতিহাসে বহু বিপ্লবী সরকার নির্বাচন ছাড়াই শাসন করেছে এবং জনসমর্থন পেয়েছে।
– বাংলাদেশের মানুষ ভোটের চেয়ে একজন সৎ, দক্ষ ও নীতিবান শাসক চায়।

মূল বক্তব্য:
“নির্বাচন নয়, ভালো শাসনই মুখ্য।”

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

বাংলাদেশে নির্বাচনবিহীন শাসনের ইতিহাস

আপডেটের সময়: ০৮:৪২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

দেলোয়ার খান,নিজস্ব প্রতিবেদক:
১. শেখ মুজিবুর রহমান – স্বাধীনতার পর প্রায় ১.৫ বছর নির্বাচন ছাড়াই শাসন করেন (১৯৭২-৭৩)।
২. জিয়াউর রহমান – সামরিক শাসক হিসেবে ৪.৫ বছর ক্ষমতায় ছিলেন (১৯৭৫-৮১), পরে নির্বাচন দেন।
৩. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ – প্রায় ১০ বছর সামরিক শাসন চালান (১৯৮২-৯০), পরে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন।
৪. ২০০৬ সালে খালেদা জিয়া – তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ক্ষমতায় ছিলেন (বিতর্কিত পরিস্থিতি)।
৫. শেখ হাসিনা (২০১৪-২০২৪) – বিরোধী দলের অংশগ্রহণবিহীন একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে টানা ১০ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।

প্রশ্ন: এই দীর্ঘ সময়ে জনগণের ভোটের অধিকার কোথায় ছিল? আর আজ যখন বাংলাদেশের মানুষ তাদের পছন্দের নেতা পেয়েছে, তখন কেবল ২টি দল “নির্বাচন চাই” বলে চিৎকার করছে।

যুক্তি:
– বিপ্লবী সরকারের ক্ষেত্রে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়ে না, কারণ বিপ্লবই তাদের স্বয়ংক্রিয় বৈধতা দেয়।
– বিশ্ব ইতিহাসে বহু বিপ্লবী সরকার নির্বাচন ছাড়াই শাসন করেছে এবং জনসমর্থন পেয়েছে।
– বাংলাদেশের মানুষ ভোটের চেয়ে একজন সৎ, দক্ষ ও নীতিবান শাসক চায়।

মূল বক্তব্য:
“নির্বাচন নয়, ভালো শাসনই মুখ্য।”