
নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ব্যাপকভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
নিষিদ্ধ উপকরণ ও পদ্ধতিতে প্রচারণা চালানো হলেও প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনমনে গভীর শঙ্কা সৃষ্টি
হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত আচরণবিধি অনুযায়ী পিভিসি ব্যানার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ সরেজমিনে দেখা গেছে, পুরো ঢাকা-১৭ আসনজুড়ে ডিজিটাল পিভিসি ব্যানারে ছেয়ে গেছে তারেক রহমানের প্রচারণা। গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি, সড়কের মোড়—কোথাও এই নিষেধাজ্ঞার কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি।
এছাড়াও আচরণবিধিতে পোস্টার টানানো নিষিদ্ধ থাকলেও রশি দিয়ে ঝুলিয়ে ব্যাপকভাবে পোস্টার লাগানো হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। এমনকি মানুষের বসতবাড়ির দেয়ালে ইশতেহার ও পোস্টারিং করাও স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও তা অবাধে চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় ভোটারদের প্রশ্ন—যেখানে নির্বাচন কমিশন নিজেই আইন প্রণয়ন করে আচরণবিধি নির্ধারণ করেছে, সেখানে একজন প্রধান রাজনৈতিক নেতার পক্ষে প্রকাশ্যভাবে সেই আইন ভঙ্গ হলেও কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? তবে কি তারেক রহমানের জন্য সবই বৈধ?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগেই যদি একটি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রকাশ্যে আইন লঙ্ঘন করে, তবে তারা ক্ষমতায় গেলে আইনের শাসন কেমন হবে—সে প্রশ্ন উঠতেই পারে। বিরোধীদের দাবি, এই ধরনের আচরণ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করছে।
এ অবস্থায় সচেতন মহল অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ এবং সমান আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় আসন্ন নির্বাচন যে বিশ্বাসযোগ্যতা সংকটে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।
মাহবুব আলম–কাফরুল২ 


























