
আরিফুর রহমান তীব্র- লক্ষ্মীপুর সদর◾
চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো ইউনিয়ন। আগামী ২৭ জুন অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদের প্রার্থীরা দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তারা হাট-বাজার, চা-স্টল, এমনকি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
প্রার্থীরা দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। কেউ বলছেন, “আমি নির্বাচিত হলে তৃণমূলের দাবি আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” আরেকজন বলছেন, “দলকে আন্দোলন-সংগ্রামে সংঘবদ্ধ করতে আগামীর জন্য দরকার শক্তিশালী নেতৃত্ব। আমি সেই প্রস্তুত নেতৃত্ব।”
প্রার্থীদের মধ্যে কেউ সাবেক ছাত্রদল নেতা, কেউ ত্যাগী কর্মী, কেউ বা বিগত আন্দোলনে কারাবরণকারী। অনেকেই আগে পদে ছিলেন, আবার কেউ কেউ বঞ্চিত হয়ে এবার নতুনভাবে সামনে এসেছেন।
সাধারণ ভোটারদের মাঝেও এবার সচেতনতা চোখে পড়ার মতো। অনেকেই বলছেন, “পরীক্ষিত, ত্যাগী এবং দলের দুঃসময়ে পাশে থাকা মানুষদেরই ভোট দেব।” কেউ কেউ খোলাখুলিভাবে বলছেন, “যারা শুধু সুযোগের সময় সামনে আসে, তাদের দিয়ে সংগঠন চলে না।”
এই নির্বাচনের মাধ্যমে অনেকেই পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছেন। অনেকে মনে করছেন, বিতর্কিত পুরনো মুখ নয়, এবার নেতৃত্বে আসা উচিত নতুন ও ক্লিন ইমেজের নেতাদের, যারা ভবিষ্যতে ইউনিয়নের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবেন।
নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন এখনো বড় কোনো বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। তবে কার প্রচার কেমন সংগঠিত, কার পক্ষে জনমত বেশি—তা আঁচ করতে পারছেন ভোটাররা নিজেরাই।
এই নির্বাচন শুধু একটি দলীয় প্রক্রিয়া নয়—এটি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে বিএনপির পুনর্গঠনের, তৃণমূলকে নতুনভাবে সক্রিয় করার একটি বড় সুযোগ হিসেবেই দেখছেন অনেকে।
প্রতিবেদকের নাম 










