
মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি:
সাংবাদিকতা পেশা একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা এই পেশায় কাজের শুরু আছে শেষ নেই। শত ব্যস্ততার মাঝেও নিজের সুখ সাচ্ছন্দ কে না খুজতে ভালবাসে। আমি একজন ক্ষুদ্র সংবাদ কর্মী হিসেবে এর ব্যতিক্রম নই। ভ্রমণের সময় সীমা টা শীতকালের পূর্ব মুহূর্তকে বেচে নিলাম। যেই কথা সেই কাজ। আমাদের ট্যুরের সঙ্গী হল ৪০ জন। বিধায় কক্সবাজার অবস্থান করতে গেলে পূর্ব মুহূর্ত থেকেই হোটেল রুম বুকিং করা উত্তম বলে আমি মনে করি। আমাদের লোকজন বেশি হওয়ায় আমরা হোটেল বুকিং করি কলাতলী সাগরের পাশেই সুগন্ধা পয়েন্ট সংলগ্ন রয়েল ইন্টারন্যাশনাল। এখানে অনেক রকমের রুমের প্রকারভেদ আছে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা থেকে সর্বনিম্ন ৩ হাজার টাকা ২৪ ঘন্টার জন্য। সময় বেশি অবস্থান করলে ছার পাবেন।হোটেল বুকিং করার পর ফ্রেশ হয়ে সুগন্ধা পয়েন্টে নেমে পড়ি। নিমিশেই সেই সাগরের ঢেউয়ে মনের মধ্যে অন্য রকমের অনুভূতি জন্মে। লবনে ভরা সাগরের পানি। সাগরের মাছ জানি কত লবণাক্ত চিন্তা করে হিসাব মেলাতে পারছিলাম না। সারাদিন কাটলোকক্সবাজার সমুদ্র সৈকত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্থান। ১২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট অখণ্ড এ সাগর সৈকত দেশী বিদেশি পর্যটকদের উত্তাল ঢেউ এবং মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্থের মায়াজালে আবদ্ধ করে রাখে। চলুন জেনে নেই কক্সবাজার ভ্রমণ পরিকল্পনা, যাবার উপায়, থাকবেন কোথায়, কোথায় খাবেন সহ কক্সবাজার ভ্রমণের সকল টুকিটাকি বিষয়।
কক্সবাজার ভ্রমণের উপযুক্ত সময়: সাধারণত কক্সবাজার ভ্রমণের জন্যে সবাই শীতকালকেই বেছে নেন। কিন্তু কক্সবাজার এমন একটি জায়গা যেখানে বছরের যে কোন সময়ই আপনি বেড়াতে পারবেন। সময়ে সময়ে প্রকৃতি বদলায়, প্রকৃতির সেই রূপের প্রভাব থাকে কক্সবাজারেও। তাই ভিন্ন স্বাদ নিতে ঝুম বর্ষায় বা শরতের নীল আকাশের সাথে মিতালির জন্যে চলে যেতে পারেন কক্সবাজার, অথবা হেমন্তের এক পূর্ণিমার রাতে কক্সবাজারের রূপ আপনাকে মুগ্ধ করবে অবশ্যই।

কিভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে কক্সবাজার সড়ক, রেল এবং আকাশপথে যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী বাসগুলোর মধ্যে সৌদিয়া, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, এস. আলম পরিবহন, মডার্ন লাইন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৯০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার পর্যন্ত।
ঢাকা থেকে ট্রেনে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন। এরপর চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ এলাকা অথবা দামপাড়া বাস্ট স্ট্যান্ড থেকে এস আলম, হানিফ, ইউনিক ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণ ও মানের বাস পাবেন। বাস ভেদে ভাড়া ২৮০ থেকে ৫৫০ টাকা।
এছাড়া বাংলাদেশ বিমান, নভোএয়ার, ইউএস বাংলা সহ বেশকিছু বিমান ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।
কোথায় থাকবেন: কক্সবাজারের হোটেলগুলো বর্তমান ধারণ ক্ষমতা প্রায় ১৫০,০০০ জন। তাই অফ সিজনে বুকিং না দিয়ে গেলেও হোটেলে রুম পাবার নিশ্চয়তা থাকে কিন্তু ডিসেম্বরের ১৫ থেকে জানুয়ারী ১৫ তারিখ পর্যন্ত অগ্রিম বুকিং দিয়ে যাওয়াই শ্রেয়।
প্রতিবেদকের নাম 


























