
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগের নেতা সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজকারী মোঃ আসাদুজ্জামান খান আলী ও চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী, একাধিক মামলার আসামি মোঃ আব্দুস সামাদ খান ( পাখি) কুমারখালীর শান্তি নষ্টকারী দুই ত্রাসের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে। কুমারখালী সর্বদলীয় ঐক্যজোট, ২৫ ফেব্রুয়ারী -২০২৫ বিকেল ৪ টার দিকে কুমারখালী পৌরসভার এলঙ্গীপাড়াতে কুমারখালী উপজেলা জামায়াতের আমির মোঃ আফতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৪ ( খোকসা- কুমারখালী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর এমপি নমিনী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আফজাল হুসাইন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কুমারখালী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব, সদকী ইউনিয়ন থেকে বার বার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমান, কুমারখালী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হাজী মনোয়ার হোসেন, কুষ্টিয়া -৪ (খোকসা- কুমারখালী) আসনের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী, কুমারখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, কুমারখালী পৌর সভা থেকে বার বার নির্বাচিত সাবেক সফল চারবারের পৌর মেয়র আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম আনছার প্রামানিক এর সুযোগ্যপুত্র কুমারখালী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এ্যাডঃ জাকারিয়া আনছার মিলন, কুমারখালী উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খান আতিকুর রহমান সবুজ প্রমূখ।
লিখিত বক্তব্যে উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মোঃ আফজাল হুসাইন বলেন, ৩ আগষ্ট পর্যন্ত আসাদুজ্জামান খান আলী পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ৫ আগষ্টের পর আলী সমন্বয়ক সেজে আলী ও তার বাবা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নিয়ে বাহিনী গঠন করে বালুরঘাট দখল,সড়কের কাজ বন্ধ করে, পুলিশ দিয়ে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করিয়ে, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের জিম্মি করে ত্রাস সৃষ্টি করে চাঁদাবাজ করছেন।
তিনি আরো বলেন আলীর বাবার বিরুদ্ধে মাদক,অস্ত্র, চাঁদাবাজি সহ একাধিক মামলা রয়েছে তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং আলীকে সমন্বয়ক পদ থেকে বাতিল করতে হবে, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন বিএনপি বা জামায়াতের কেউ আলীর বাড়িতে হামলা করেনি, তাদের আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে বিক্ষিপ্ত জনতা হামলা চালিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমারখালী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মোঃ আসাদুজ্জামান খান আলী, তিনি বলেন আমিও সংবাদ সম্মেলন করবো। সেখানেই সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে। এ বিষয়ে জানতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান কে কল দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পুলিশের মাধ্যমে আসামী বাণিজ্যির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কুমারখালী থানার ওসি মোঃ সুলায়মান শেখ। তিনি বলেন সমন্বয়ক আলীর বাড়িতে জনতা ভাংচুর করেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন আলীর বাবা পাখির বিরুদ্ধে ঢাকাসহ বিভিন্ন থানায় ১২ টি মামলা রয়েছে। কুমারখালী দায়ের করা মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে আরো বলা হয় আসাদুজ্জামান খান আলী কে যদি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমারখালী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব পদ থেকে দ্রুত বহিষ্কার না করা হয় তাহলে কঠোর আন্দোলন ঘোষনা করা হবে।
প্রতিবেদকের নাম 




















