
◼️খাইরুল ইসলাম–ডেস্ক রিপোর্ট
কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ি বর্তমানে সাহসিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যে অটুট অঙ্গীকার নিয়ে ফাঁড়িটি কাজ করছে, তা শুধু স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জনই নয়, বরং দেশের অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি এই ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ নিরু মিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে প্রায় ৫২ মন বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। এ সফলতা শুধু একটি অপরাধ দমন নয়, বরং দেশ ও জনগণের নিরাপত্তায় বড় ধরনের বিপদ রোধের এক দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ। ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ি দেখিয়ে দিয়েছে, সাহস এবং দৃঢ় মনোবল থাকলে অপরাধ দমনে অসম্ভব কিছু নেই।
মাদকবিরোধী কার্যক্রমেও এই ফাঁড়ির অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিদেশি মদ, অবৈধ ভাটি ও নেশাজাত দ্রব্য জব্দ ও ধ্বংসের মাধ্যমে এলাকায় মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। এসব অভিযানে কলাতিয়া ফাঁড়ির ভূমিকা শুধুই পুলিশি দায়িত্ব পালন নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলনের অংশ হয়ে উঠেছে।
এছাড়াও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতার, চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারের মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কলাতিয়া ফাঁড়ির তৎপরতা এক কথায় প্রশংসনীয়। দিন কিংবা রাত— যেকোনো সময়ে ইনচার্জ নিরু মিয়া নিজে উপস্থিত থেকে অভিযানের তদারকি করছেন। তার এই তৎপরতা জনমনে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দেশের কোথাও যখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা যায়, তখন কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ি দেখিয়ে দিচ্ছে— সৎ নেতৃত্ব ও নিবেদিত টিম থাকলে যেকোনো সংকট মোকাবিলা সম্ভব। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, ফাঁড়িটির কার্যকর ভূমিকা কেরানীগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে করেছে দৃঢ় ও স্থিতিশীল।
কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এই ধারাবাহিক সাফল্য দেশের অন্যান্য পুলিশ ফাঁড়ি ও থানার জন্য একটি কার্যকর মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যে ধরণের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা এই ফাঁড়ির সদস্যরা দেখাচ্ছেন, তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি নতুন পথ দেখাচ্ছে গোটা পুলিশ প্রশাসনকে।
প্রতিবেদকের নাম 


























