Dhaka ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নরসিংদীর মাধবদীতে চাঞ্চল্যকর খুন ও ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৭ সুনামগঞ্জের ধোপাজান চলতি নদী রক্ষায় মানববন্ধন: অবৈধ বালু লুটপাট বন্ধ ও ইজারার দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারিদের বাড়িতে লাল চিহ্ন দেওয়ার হুঁশিয়ারি জেলা পুলিশের ইউপি নির্বাচন, চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সিরাজগঞ্জের জামায়াত নেতা বুলবুল আহমাদ জুলাই অভ্যুত্থানে আহত আফজল হুসাইনের মানবসেবার স্বীকৃতি ও সরকারি চাকরির দাবি কালিয়াকৈরে উচ্ছেদ অভিযানের দুই বছর না পেরুতেই ফের বনভূমি দখল, উল্টো সাংবাদিকদের হুমকি বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠন: সভাপতি জসিম উদ্দিন, সম্পাদক নাজিম উদ্দীন নরসিংদীর পলাশে সরকারি সেবার মানোন্নয়নে জেলা প্রশাসকের বিশেষ দিকনির্দেশনা ঠাকুরগাঁওকে মাদকমুক্ত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর উত্তরা পশ্চিম থানার অভিযান, ১১ আইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গ্রেফতার ৬

রৌমারীতে স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রীর মৃত্যু-স্বামী আটক

print news

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: রৌমারীতে পারিবারিক কলহের জেরধরে সুলতানা (১৯) নামের এক গৃহবধু নির্যাতনের শিকার হয়ে
মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় আনে। এ ঘটনায় নিহতের
স্বামী আবু হানিফকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল ৮টার দিকে রৌমারী উপজেলার ইছাকুড়ি ভিটাপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এঘটনায় নিহতের বাবা ছলিম উদ্দিন বাদী হয়ে রৌমারী
থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ ইছাকুড়ি গ্রামের ছলিম উদ্দিনের মেয়ে
সুলতানার সাথে একই গ্রামের ইছাকুড়ি ভিটাবাড়ি গ্রামের আব্দুস শহীদের ছেলে আবু
হানিফের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে পারিবারিক ভাকে তাদের বিয়ে হয় ৩ বছর
আগে। তাদের ঘরে শুভ (১) নামের এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কলহের জের
ধরে সুলতানাকে শাররিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করতো তার স্বামী আবু হানিফসহ
পরিবারের লোকজনা। ঘটনার আগের দিন শনিবার সকালে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির এক
পর্যায়ে সুলতানাকে বেধরক মারপিট করে তার স্বামী। নিযার্তনের খবর পেয়ে মেয়ের বাবা ছলিম
উদ্দিন মেয়েকে বাড়িতে নেওয়ার জন্য জামাই বাড়িতে যায়। স্বামীর পরিবারের লোকজন মেয়েকে
ছেড়ে না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়। পরদিন রবিবার সকালে তাকে আবারো নির্যাতন করলে এক পর্যায়ে
সুলতানা অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তার স্বজনরা তাকে রৌমারী হাসপাতালে ভর্তি করে। রৌমারী
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুলতানাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
রেফার্ড করেন। সেখানে নেয়ার পথে সুলতানা মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। এ ঘটনায় নিহতের
বাবা ছলিম উদ্দিন বাদী হয়ে রৌমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের বাবা ছলিম উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ের হত্যাকান্ডে যারা জড়িত তাদের
আমি দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির চাই।
রৌমারী থানার (ওসি তদন্ত) মুশাহেদ হোসেন বলেন, নিহতের স্বামী আবু হানিফকে আটক করা
হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হবে। মামলা
প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

নরসিংদীর মাধবদীতে চাঞ্চল্যকর খুন ও ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৭

রৌমারীতে স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রীর মৃত্যু-স্বামী আটক

আপডেটের সময়: ০৬:৩৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৩
print news

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: রৌমারীতে পারিবারিক কলহের জেরধরে সুলতানা (১৯) নামের এক গৃহবধু নির্যাতনের শিকার হয়ে
মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় আনে। এ ঘটনায় নিহতের
স্বামী আবু হানিফকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল ৮টার দিকে রৌমারী উপজেলার ইছাকুড়ি ভিটাপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এঘটনায় নিহতের বাবা ছলিম উদ্দিন বাদী হয়ে রৌমারী
থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ ইছাকুড়ি গ্রামের ছলিম উদ্দিনের মেয়ে
সুলতানার সাথে একই গ্রামের ইছাকুড়ি ভিটাবাড়ি গ্রামের আব্দুস শহীদের ছেলে আবু
হানিফের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে পারিবারিক ভাকে তাদের বিয়ে হয় ৩ বছর
আগে। তাদের ঘরে শুভ (১) নামের এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কলহের জের
ধরে সুলতানাকে শাররিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করতো তার স্বামী আবু হানিফসহ
পরিবারের লোকজনা। ঘটনার আগের দিন শনিবার সকালে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির এক
পর্যায়ে সুলতানাকে বেধরক মারপিট করে তার স্বামী। নিযার্তনের খবর পেয়ে মেয়ের বাবা ছলিম
উদ্দিন মেয়েকে বাড়িতে নেওয়ার জন্য জামাই বাড়িতে যায়। স্বামীর পরিবারের লোকজন মেয়েকে
ছেড়ে না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়। পরদিন রবিবার সকালে তাকে আবারো নির্যাতন করলে এক পর্যায়ে
সুলতানা অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তার স্বজনরা তাকে রৌমারী হাসপাতালে ভর্তি করে। রৌমারী
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুলতানাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
রেফার্ড করেন। সেখানে নেয়ার পথে সুলতানা মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। এ ঘটনায় নিহতের
বাবা ছলিম উদ্দিন বাদী হয়ে রৌমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের বাবা ছলিম উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ের হত্যাকান্ডে যারা জড়িত তাদের
আমি দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির চাই।
রৌমারী থানার (ওসি তদন্ত) মুশাহেদ হোসেন বলেন, নিহতের স্বামী আবু হানিফকে আটক করা
হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হবে। মামলা
প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।