Dhaka ০১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

টাঙ্গাইল গোপালপুরে অপহৃত শিশুর লাশ কালিয়াকৈর থেকে উদ্ধার গ্রেফতার ২ জন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:১১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
  • ১৯৬ সময় দেখুন
print news

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার গাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পুলিশ অফিসার খন্দকার রাসেলের শিশুপুত্র রাহেনুল ইসলাম আরাফের (৬) গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে কালিয়াকৈর উপজেলার হাইটেক পার্কের সীমান দেয়ালের নিকট থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। গত ৮ অক্টোবর সকালে দাদার বাড়ি থেকে অপহৃত হয় আরাফ। আরাফের দাদা নাসির উদ্দীন ঐদিন গোপালপুর থানায় একটি জিডি করেন। নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর দুবর্ত্তরা মোবাইলে ১০ লক্ষ টাকার মুক্তিপন দাবি করে। অপহরণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার থানা পুলিশ উপজেলার নবধুলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে নুরনবীকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক থানা পুলিশ গত শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর উপজেলার শরীফপুর গ্রামের আব্দুর কাদিরের ছেলে মোকাব্বির হোসেনকে আটক করে।
গোপালপুর থানার এসআই এবং তদন্তকারি অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অপহরণের ঘটনায় গত শুক্রবার থানায় মামলা হয়। ওই দিন দুই আসামীকে টাঙ্গাইল আদালতে চালান দিলে বিজ্ঞ আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড দেন। তিনি আরো জানান, আরাফের বাবা খন্দকার রাসেল গোপালপুরের গাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানায় উপপরিদর্শক হিসাব কর্মরত রয়েছেন। গাজীপুর তাজউদ্দীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্তের পর আরাফর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলার বাদি এবং অপহৃত আরাফের দাদা নাসির উদ্দীন জানান, তার পুত্র কিশোরগঞ্জে চাকরি করেন। পুত্র বধূ ও একমাত্র নাতি তার সাথে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। ঘটনার দিন চিপসের লোভ দেখিয়ে আরাফকে কৌশলে অপহরণ করেন নুরনবী। অপহরণের পর দুবর্ত্তরা ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। মুক্তিপন না পেয়ে আরাফকে নৃশংসভাবে খুন করে। তিনি অপহরণকারিদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
গোপালপুর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দীন খবরটি নিশ্চিত করেন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

টাঙ্গাইল গোপালপুরে অপহৃত শিশুর লাশ কালিয়াকৈর থেকে উদ্ধার গ্রেফতার ২ জন

আপডেটের সময়: ১০:১১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
print news

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার গাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পুলিশ অফিসার খন্দকার রাসেলের শিশুপুত্র রাহেনুল ইসলাম আরাফের (৬) গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে কালিয়াকৈর উপজেলার হাইটেক পার্কের সীমান দেয়ালের নিকট থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। গত ৮ অক্টোবর সকালে দাদার বাড়ি থেকে অপহৃত হয় আরাফ। আরাফের দাদা নাসির উদ্দীন ঐদিন গোপালপুর থানায় একটি জিডি করেন। নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর দুবর্ত্তরা মোবাইলে ১০ লক্ষ টাকার মুক্তিপন দাবি করে। অপহরণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার থানা পুলিশ উপজেলার নবধুলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে নুরনবীকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক থানা পুলিশ গত শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর উপজেলার শরীফপুর গ্রামের আব্দুর কাদিরের ছেলে মোকাব্বির হোসেনকে আটক করে।
গোপালপুর থানার এসআই এবং তদন্তকারি অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অপহরণের ঘটনায় গত শুক্রবার থানায় মামলা হয়। ওই দিন দুই আসামীকে টাঙ্গাইল আদালতে চালান দিলে বিজ্ঞ আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড দেন। তিনি আরো জানান, আরাফের বাবা খন্দকার রাসেল গোপালপুরের গাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানায় উপপরিদর্শক হিসাব কর্মরত রয়েছেন। গাজীপুর তাজউদ্দীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্তের পর আরাফর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলার বাদি এবং অপহৃত আরাফের দাদা নাসির উদ্দীন জানান, তার পুত্র কিশোরগঞ্জে চাকরি করেন। পুত্র বধূ ও একমাত্র নাতি তার সাথে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। ঘটনার দিন চিপসের লোভ দেখিয়ে আরাফকে কৌশলে অপহরণ করেন নুরনবী। অপহরণের পর দুবর্ত্তরা ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। মুক্তিপন না পেয়ে আরাফকে নৃশংসভাবে খুন করে। তিনি অপহরণকারিদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
গোপালপুর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দীন খবরটি নিশ্চিত করেন।