
মাসুদ রানা,স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ায় দশম শ্রেণির স্কুলছাত্র মো. ফাহিম (১৮) হত্যারহস্য উন্মোচিত হয়েছেন। স্কুলের এক ছাত্রীকে টেনেহিঁচড়ে টয়লেটে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শিক্ষককে বলে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ সিনিয়র শিক্ষার্থীরা তাকে হত্যা করে। মীমাংসার কথা বলে সোমবার রাতে তাকে শহরের কলোনি এলাকায় ডেকে এনে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
এ সময় এজাহার নামীয় ২-৫ নম্বর আসামিসহ অজ্ঞাতরা ফাহিমের হাত-পা ধরে রাখে এবং আসামি সিমান্ত হাতে থাকা চাকু দিয়ে আঘাত করে। হামলাকারীরা পালিয়ে গেলে স্থানীয়রা রক্তাক্ত ফাহিমকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বগুড়া সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) একেএম মঈন উদ্দিন ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফজলে এলাহী জানান, এ ব্যাপারে নিহতের বাবা রাতেই থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। রাতভর অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার সকালে অন্যতম আসামি রাব্বীকে গ্রেফতার করা হয়। সে পুলিশের কাছে হত্যার দায় স্বীকার ও হত্যার কারণ উল্লেখ করে। বিকালে তাকে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে হাজির করা হয়। রাব্বী সেখানে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাকে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
প্রতিবেদকের নাম 










