
মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের কালিস্থান বাজার লক্ষ লক্ষ টাকার পণ্য কেনাবেচা সপ্তাহে দুই দিন হাট বসলেও সরকারিভাবে হাট ইজারা না দিয়ে টোল আদায় করছেন স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের লোকজন। ২০০১ সাল থেকে ২০২৪সাল পর্যন্ত সরকারিভাবে এ হাট ইজারা দেয়া না হলেও ক্ষমতাসীন দলের কিছু প্রভাবশালী ইচ্ছামতো খাজনা আদায় অব্যাহত রেখেছেন এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। উপজেলা প্রশাসনের তালিকায় এ হাট অন্তর্ভুক্তি করে সরকারিভাবে ইজারা দেয়ার দাবি করেছেন ব্যবসায়ী এবং এলাকাবাসী। তবে প্রশাসন বলেছে, আইনগত যত সমস্যাই থাকুক না কেন, আগামী বছর এ হাট তালিকাভুক্ত করে ইজারা দেয়া হবে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জনস্বার্থে উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের কালিস্থানে একটি হাট বসানোর পরিকল্পনা ছিল স্থানীয়দের। গত ১৯৯৬ সালের পূর্বে গ্রামের লোকজন ওই স্থানে হাট বসানোর জন্য ২১ শতক সরকারের এক নম্বর খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত এরপর প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও শুক্রবার ওই স্থানে হাট বসে। আর প্রতিদিন সেখানে বাজারও বসছে।
স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় শুরুতে বাজার ছোট ছিল সে কারণে এ হাট ইজারাও দিতে পারছেন না প্রশাসন। এমনটি জানিয়ে আসছিল পূর্বের প্রশাসন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা এ বাজার থেকে সুবিধা ভোগ করতেন। ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর বিএনপির কতিপয় প্রভাবশালী নেতা কালিস্তান বাজার দখল করে ভাড়া দেওয়ার পায়তারা করে যাচ্ছেন। তবে সরকারিভাবে ইজারা না হলেও শুরু থেকেই খাজনা আদায় করে আসছেন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকা স্থানীয় প্রভাবশালীরা।স্থানীয় বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচিত মাইদুল ইসলাম জুয়েল ও তার সহযোগী লোকজনেরা বাজার দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা গাজিউর রহমান গাজী। গাজিউর রহমান বলেন ১৯৯৬ সালে ২১ শতক জায়গা স্থানীয় প্রভাবশালী গন এর কাছে ক্রয় করে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট রেজিস্ট্রি করে দেই আমরা। তারপর থেকে এই জমি সরকারের দখলে। সরকারের দখলে থাকলেও বিভিন্ন সময়ে সরকার দলীয় লোকজন এ বাজার থেকে সুবিধা ভোগ করেন। গাজিউর রহমান বলেন এ বাজার আমার হাতে তৈরি করা এখানে প্রায় ১৫০ টির মত দোকান রয়েছে। এর চেয়ে অনেক ছোট বাজার আছে আদিতমারী উপজেলায় যেগুলো ইজারার আওতায়। কোন একটি মহলের অদৃশ্য কারণে এ বাজার সরকারি ভাবে ইজারা হচ্ছেনা। আর সরকার ইজারা না হওয়ার কারণে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 










