Dhaka ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ৩টি পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই,খোলা আকাশের নিচে বসবাস

print news

মোঃ হারুন অর রশিদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়া শহরের কৈগাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন বিধবা নারীর ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (৫ই এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তিনটি পরিবার। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন—আমেনা বেগম, সাফিয়া বেগম ও হামিদা বেগম। স্থানীয়রা জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তারা। প্রচণ্ড তাপের কারণে কেউ ঘরের কাছেও যেতে পারেননি। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে তিনটি বসতঘরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পর কিছুই বের করে আনা সম্ভব হয়নি। ঘরের সব আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও নগদ টাকা-পয়সা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিন পরিবারই এখন সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব।
স্থানীয়রা আরও জানান, বিধবা নারীরা মসজিদের জায়গায় অন্যের জমিতে ঘর তুলে বসবাস করছিলেন। স্বামী না থাকায় তাদের পরিবারের আয়-রোজগারের কেউ নেই। রাস্তার পাশে ছোট টং দোকানে শাক-সবজি বিক্রি করেই তারা কোনোভাবে দিন পার করতেন। আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে তারা এখন পুরোপুরি দিশেহারা।
ক্ষতিগ্রস্ত আমেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আগুন দেখে বাড়িতে ছুটে এসে দেখি সব পুড়ে গেছে। থাকার মতো কোনো উপায় নেই। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম।”
বগুড়া সদর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, “অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। তবে শহরের যানজটের কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।”
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ৩টি পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই,খোলা আকাশের নিচে বসবাস

আপডেটের সময়: ০৯:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
print news

মোঃ হারুন অর রশিদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়া শহরের কৈগাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন বিধবা নারীর ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (৫ই এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তিনটি পরিবার। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন—আমেনা বেগম, সাফিয়া বেগম ও হামিদা বেগম। স্থানীয়রা জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তারা। প্রচণ্ড তাপের কারণে কেউ ঘরের কাছেও যেতে পারেননি। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে তিনটি বসতঘরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পর কিছুই বের করে আনা সম্ভব হয়নি। ঘরের সব আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও নগদ টাকা-পয়সা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিন পরিবারই এখন সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব।
স্থানীয়রা আরও জানান, বিধবা নারীরা মসজিদের জায়গায় অন্যের জমিতে ঘর তুলে বসবাস করছিলেন। স্বামী না থাকায় তাদের পরিবারের আয়-রোজগারের কেউ নেই। রাস্তার পাশে ছোট টং দোকানে শাক-সবজি বিক্রি করেই তারা কোনোভাবে দিন পার করতেন। আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে তারা এখন পুরোপুরি দিশেহারা।
ক্ষতিগ্রস্ত আমেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আগুন দেখে বাড়িতে ছুটে এসে দেখি সব পুড়ে গেছে। থাকার মতো কোনো উপায় নেই। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম।”
বগুড়া সদর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, “অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। তবে শহরের যানজটের কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।”
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।