Dhaka ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

ক্যান্সার রোগে বিনা চিকিৎসায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বগুড়া জেলা মহিলা দলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মজিরুন নেছা মিলু

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫
  • ২০১ সময় দেখুন
print news

মোঃ হারুন অর রশিদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের গুড়বিশা পূর্বপাড়ায় পৈএিক বাড়িতে বর্তমান বসবাস করছেন বগুড়া জেলা মহিলা দলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মজিরুন নেছা মিলু। স্বামী মারা গেছেন, ছেলে মেয়ে নেই তাই তাকে দেখারও কেউ নেই। এখন ভাতিজারা ছাড়া কেউ নেই তার। বর্তমানে তারাই তাঁর দেখভাল করছেন।

একসময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে সিনিয়র নার্স হিসাবে কর্মরত ছিলেন মজিরুন নেছা মিলু। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন মজিরুন নেছা মিলু।এরপর শহীদ জিয়াউর রহমানের কল্যাণে লিবিয়ায় ৮ বছর চাকুরী করেন।বগুড়ায় কলোনিতে মজিরুন নেছা মিলুর বাড়ি রাজনৈতিক নেতাকর্মী দেখভাল করার কারনে দেনাগ্রস্ত হলে বাড়িটি বিক্রি করেন। এখন পৈএিক বাড়িটি স্হানীয় মাদ্রাসায় দান করেছেন।সেখানেই থাকেন কোনরকমে। চিকিৎসা করার খরচ নেই বললেই চলে। ভাতিজারা দেখভাল করছেন তাঁর।

সাবেক বগুড়া মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মজিরুন নেসা মিলুর চিকিৎসা জরুরী। তাকে বাচাতে এগিয়ে আসুন, মজিরুন নেসা মিলুর অনুরোধ ছিল আমার এই অসুস্থতার খবরটি তারেক রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কাছে পৌছে দিবেন,বার বার হাত ধরে অনুরোধ করেছেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্শন করছি,তাকে একটু সুচিকিৎসার ব্যবস্হা করার.। আল্লাহ সবার মঙ্গল করুক,আমিন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

ক্যান্সার রোগে বিনা চিকিৎসায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বগুড়া জেলা মহিলা দলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মজিরুন নেছা মিলু

আপডেটের সময়: ০৫:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫
print news

মোঃ হারুন অর রশিদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের গুড়বিশা পূর্বপাড়ায় পৈএিক বাড়িতে বর্তমান বসবাস করছেন বগুড়া জেলা মহিলা দলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মজিরুন নেছা মিলু। স্বামী মারা গেছেন, ছেলে মেয়ে নেই তাই তাকে দেখারও কেউ নেই। এখন ভাতিজারা ছাড়া কেউ নেই তার। বর্তমানে তারাই তাঁর দেখভাল করছেন।

একসময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে সিনিয়র নার্স হিসাবে কর্মরত ছিলেন মজিরুন নেছা মিলু। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন মজিরুন নেছা মিলু।এরপর শহীদ জিয়াউর রহমানের কল্যাণে লিবিয়ায় ৮ বছর চাকুরী করেন।বগুড়ায় কলোনিতে মজিরুন নেছা মিলুর বাড়ি রাজনৈতিক নেতাকর্মী দেখভাল করার কারনে দেনাগ্রস্ত হলে বাড়িটি বিক্রি করেন। এখন পৈএিক বাড়িটি স্হানীয় মাদ্রাসায় দান করেছেন।সেখানেই থাকেন কোনরকমে। চিকিৎসা করার খরচ নেই বললেই চলে। ভাতিজারা দেখভাল করছেন তাঁর।

সাবেক বগুড়া মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মজিরুন নেসা মিলুর চিকিৎসা জরুরী। তাকে বাচাতে এগিয়ে আসুন, মজিরুন নেসা মিলুর অনুরোধ ছিল আমার এই অসুস্থতার খবরটি তারেক রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কাছে পৌছে দিবেন,বার বার হাত ধরে অনুরোধ করেছেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্শন করছি,তাকে একটু সুচিকিৎসার ব্যবস্হা করার.। আল্লাহ সবার মঙ্গল করুক,আমিন।