Dhaka ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জের সুরমা নদী থেকে গলায় গামছা পেঁচানো অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ মিছিল: গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার আবিদুল হক নরসিংদীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাখাওয়াতসহ গ্রেফতার ২৮ নরসিংদীর মাধবদীতে চাঞ্চল্যকর খুন ও ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৭ সুনামগঞ্জের ধোপাজান চলতি নদী রক্ষায় মানববন্ধন: অবৈধ বালু লুটপাট বন্ধ ও ইজারার দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারিদের বাড়িতে লাল চিহ্ন দেওয়ার হুঁশিয়ারি জেলা পুলিশের ইউপি নির্বাচন, চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সিরাজগঞ্জের জামায়াত নেতা বুলবুল আহমাদ জুলাই অভ্যুত্থানে আহত আফজল হুসাইনের মানবসেবার স্বীকৃতি ও সরকারি চাকরির দাবি কালিয়াকৈরে উচ্ছেদ অভিযানের দুই বছর না পেরুতেই ফের বনভূমি দখল, উল্টো সাংবাদিকদের হুমকি

কালীগঞ্জ ও ঢাকায় আরিফ মিয়ার সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক: জনজীবনে আতঙ্ক

print news

নিজস্ব প্রতিবেদক◾

গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা এবং রাজধানী ঢাকা—এই দুই জায়গার সাধারণ মানুষ বছরের পর বছর আতঙ্কে ছিল একজনের কারণে। তার নাম আরিফ মিয়া। বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। বাবার নাম মনসুর আলী। স্থায়ী ঠিকানা—উলুরখোলা, কালীগঞ্জ, গাজীপুর।

 

যুবলীগ নেতা পরিচয়ে আরিফ মিয়া কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতির পদে থেকে রাজনীতির ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছিল। শুধু কালীগঞ্জ নয়, রাজধানীর বাড্ডা, ভাটারা, উত্তরা ও আদাবর এলাকাতেও গড়ে তোলে ত্রাসের রাজত্ব।

 

স্থানীয় সাধারণ মানুষ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। অভিযোগ রয়েছে, আরিফ মিয়া রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর হুমকি, মারধর, হত্যা, চাঁদাবাজি এবং রাতারাতি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে যায়।

 

তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা, যা এখনো চলমান ও তদন্তাধীনঃ

১) কালীগঞ্জ থানার মামলা নং- ৪, তারিখ: ২১ আগস্ট ২০২৪, সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় জামিনপ্রাপ্ত।

২) আদাবর থানার মামলা নং- ১৯, তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২৪, ধারা: ১০৯/১১৪/১৪৮/১৪৯/১৫৩/৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি।

৩) ভাটারা থানার মামলা নং- ৪০, তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ধারা: ১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি।

৪) বাড্ডা থানার মামলা নং- ১১, তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২৪, ধারা: ১৪৩/১৪৮/১৪৯/৩০৭/৩২৬ দণ্ডবিধি।

৫) বাড্ডা থানার মামলা নং- ১৩, তারিখ: ১১ অক্টোবর ২০২৪, ধারা: ১৪৩/১৪৮/১৪৯/৩০৭/৩২৬ দণ্ডবিধি।

 

পলাতক অবস্থায়ও আরিফ মিয়া রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটানোর পরিকল্পনা এবং ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তার দাপটে কালীগঞ্জ, নাগরী, তুমুলিয়া, বিরাপুর, বাড্ডা, ভাটারা, উত্তরা ও আদাবর এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

 

দীর্ঘদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। অবশেষে, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে আগারগাঁও এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

সুনামগঞ্জের সুরমা নদী থেকে গলায় গামছা পেঁচানো অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

কালীগঞ্জ ও ঢাকায় আরিফ মিয়ার সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক: জনজীবনে আতঙ্ক

আপডেটের সময়: ১১:২৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
print news

নিজস্ব প্রতিবেদক◾

গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা এবং রাজধানী ঢাকা—এই দুই জায়গার সাধারণ মানুষ বছরের পর বছর আতঙ্কে ছিল একজনের কারণে। তার নাম আরিফ মিয়া। বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। বাবার নাম মনসুর আলী। স্থায়ী ঠিকানা—উলুরখোলা, কালীগঞ্জ, গাজীপুর।

 

যুবলীগ নেতা পরিচয়ে আরিফ মিয়া কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতির পদে থেকে রাজনীতির ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছিল। শুধু কালীগঞ্জ নয়, রাজধানীর বাড্ডা, ভাটারা, উত্তরা ও আদাবর এলাকাতেও গড়ে তোলে ত্রাসের রাজত্ব।

 

স্থানীয় সাধারণ মানুষ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। অভিযোগ রয়েছে, আরিফ মিয়া রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর হুমকি, মারধর, হত্যা, চাঁদাবাজি এবং রাতারাতি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে যায়।

 

তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা, যা এখনো চলমান ও তদন্তাধীনঃ

১) কালীগঞ্জ থানার মামলা নং- ৪, তারিখ: ২১ আগস্ট ২০২৪, সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় জামিনপ্রাপ্ত।

২) আদাবর থানার মামলা নং- ১৯, তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২৪, ধারা: ১০৯/১১৪/১৪৮/১৪৯/১৫৩/৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি।

৩) ভাটারা থানার মামলা নং- ৪০, তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ধারা: ১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি।

৪) বাড্ডা থানার মামলা নং- ১১, তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২৪, ধারা: ১৪৩/১৪৮/১৪৯/৩০৭/৩২৬ দণ্ডবিধি।

৫) বাড্ডা থানার মামলা নং- ১৩, তারিখ: ১১ অক্টোবর ২০২৪, ধারা: ১৪৩/১৪৮/১৪৯/৩০৭/৩২৬ দণ্ডবিধি।

 

পলাতক অবস্থায়ও আরিফ মিয়া রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটানোর পরিকল্পনা এবং ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তার দাপটে কালীগঞ্জ, নাগরী, তুমুলিয়া, বিরাপুর, বাড্ডা, ভাটারা, উত্তরা ও আদাবর এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

 

দীর্ঘদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। অবশেষে, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে আগারগাঁও এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।