Dhaka ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

কুয়াকাটার সৌন্দর্য রক্ষায় চলছে উচ্ছেদ অভিযান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৫৭ সময় দেখুন
print news

মোঃ শাকিল খান,পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে পৌর ভবন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ হাতে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (০৫নভেম্বর) সকাল ৮ টায় শুরু হয় এই অভিযান এবং চলবে টানা দুই দিন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তার সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক মো. কৌশিক আহমেদ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কুয়াকাটা ইউনিট, মহিপুর থানা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা।
এর আগে গত তিন দিন যাবৎ মাইকিং করে তাদেরকে কুয়াকাটা বীজ ম্যানেজমেন্ট কমিটির দেওয়া নির্ধারিত জায়গায় স্থানান্তরের জন্য বারবার অনুরোধ করা হলে অনেকে সরিয়ে নেয়, তবে যারা সরিয়ে নেয়নি তাদের গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করতে এবং রাস পূর্ণিমাকে সামনে রেখে অবৈধ স্থাপনাগুলোকে সরিয়ে নিতে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা মোট পাঁচ শতাধিকের বেশি অবৈধ দখলদারকে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য বলেছি। তবে নির্দিষ্ট সময় পরও অনেকে স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। সেজন্য আমরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। আমাদের এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টকে কেন্দ্র করে নান্দনিকতা ফিরিয়ে আনতে কুয়াকাটার সকল সরকারি সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

কুয়াকাটার সৌন্দর্য রক্ষায় চলছে উচ্ছেদ অভিযান

আপডেটের সময়: ১০:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪
print news

মোঃ শাকিল খান,পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে পৌর ভবন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ হাতে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (০৫নভেম্বর) সকাল ৮ টায় শুরু হয় এই অভিযান এবং চলবে টানা দুই দিন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তার সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক মো. কৌশিক আহমেদ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কুয়াকাটা ইউনিট, মহিপুর থানা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা।
এর আগে গত তিন দিন যাবৎ মাইকিং করে তাদেরকে কুয়াকাটা বীজ ম্যানেজমেন্ট কমিটির দেওয়া নির্ধারিত জায়গায় স্থানান্তরের জন্য বারবার অনুরোধ করা হলে অনেকে সরিয়ে নেয়, তবে যারা সরিয়ে নেয়নি তাদের গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করতে এবং রাস পূর্ণিমাকে সামনে রেখে অবৈধ স্থাপনাগুলোকে সরিয়ে নিতে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা মোট পাঁচ শতাধিকের বেশি অবৈধ দখলদারকে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য বলেছি। তবে নির্দিষ্ট সময় পরও অনেকে স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। সেজন্য আমরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। আমাদের এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টকে কেন্দ্র করে নান্দনিকতা ফিরিয়ে আনতে কুয়াকাটার সকল সরকারি সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।