
মো. জসিম◼️দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ভান্ডারা ইউনিয়নের দৈকতবাড়ী গ্রামের এক নিরীহ পরিবার জোরপূর্বক জমি দখল ও মিথ্যা মামলায় চরম হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মো. ওমর ফারুক নামে এক যুবক। এ ঘটনায় সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওমর ফারুকের পিতা মো. আতাউর রহমানের নামীয় জমির অংশ জোর করে দখলে রাখার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মো. দেলোয়ার হোসেন (৭০) ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দেলোয়ার হোসেনের দখলে থাকা জমির পরিমাণ তিন শতক হলেও তিনি জোরপূর্বক আট শতক জমি নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে সেখানে নির্মাণকাজ চালানোর চেষ্টা করেন।
গত এপ্রিল মাসে দেলোয়ার হোসেন বাড়ির ছাপড়ার টিন সরিয়ে খাড়া চালা বসানোর সময় ওমর ফারুক ও তার বাবা বাঁধা দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর ৮ জুন ২০২৫, দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে উভয় পক্ষ স্থানীয় গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে আপোষ মীমাংসার জন্য বসেন। মীমাংসা চলাকালে দেলোয়ার হোসেন ও তার ছেলেরা হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠলে মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ওমর ফারুক। হামলায় আতাউর রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা আহত হলে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় আতাউর রহমান বাদী হয়ে বিরল থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে প্রতিপক্ষ দেলোয়ার হোসেন ও তার ছেলেরা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাকে আড়াল করে একটি মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ সাজিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বিরল-এ মামলা দায়ের করেন।
ওমর ফারুক অভিযোগ করেন, “আমার বাবা আতাউর রহমান, বড় ভাই মতিউর রহমান মিলন, ইলিয়াস কাঞ্চন, আবু বকর সিদ্দিক, চাচা মনজুরুল ইসলামসহ অনেকের নামে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে। এলাকাবাসী প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে অবগত। আমরা উচ্চমহলের কাছে সঠিক তদন্ত ও আইনগত সহায়তার মাধ্যমে এই জুলুম থেকে রেহাই চাই।”
তিনি আরও জানান, এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে সমাজে আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। সঠিক বিচার না পেলে ভবিষ্যতে আরও নিরীহ পরিবার এভাবে হয়রানির শিকার হতে পারে।
ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















