
মেহেদি হাসান পলাশ,স্টাফ রির্পোটার: বগুড়ার শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সেচ মেশিনে আগুন লাগিয়ে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করেছে প্রতিপক্ষ । এ ব্যাপারে শেরপুর থানা,উপজেলা নির্বাহী কর্মকরতা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের উত্তর আমইন গ্রামে। এ ঘটনায় একই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজার রহমান বাদী হয়ে থানায় ৩ জনকে বিবাদী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযুক্তরা হলো উত্তর আমইন গামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মো: আহাদ আলী (৫৫) ও মো: জামাল উদ্দিন (৫২) ও জামাল উদ্দিনের ছেলে দুলাল হোসেন(৩৮)। শেরপুর থানার লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, একই এলাকার মো: আব্দুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজার রহমান উত্তর আমইন গামের বিল চড়া মাঠে বিদ্যুত চালিত অগভীর নলকূপের মাধ্যমে নিজের জমিসহ এই এলাকার বেশ কিছু কৃষকের জমিতে ভাড়ায় পানি সেচ পরিচালনা করে। এ সময় আহাদ আলী কিছু জমিতে পানি সেচ দিতে নিষেধ করে। জমির মালিকরা আহাদের সাথে টাকা নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় তারা তার কাছ থেকে সেচ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা নানাবিধ হুমকি ধামকা প্রদান করে মোস্তাফিজারকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ জানুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে মোস্তাফিজার রহমানের জমিতে থাকা অগভীর নলকূপের ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয় প্রতিপক্ষরা। পরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে স্থানীয় জমির সেচ গ্রাহক বাচ্চু মিয়া টের পেলে ডাক চিৎকার শুরু করে। মোস্তফিজারের পিতা আব্দুর রহমান লোক মারফত সংবাদ পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আগুন নেভায় । এ বিষয়ে সেচ গ্রাহক বাচ্চু, খায়রুল, জাহাঙ্গীর জানায়,আহাদের সাথে সেচের দাম নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় আমরা মোস্তাফিজারের নলকূপ থেকে সেচ দিই। সে অনেক সময় সেচের টাকা বেশি দাবী করে এবং সময়মত জমিতে সেচ দেয় না ফলে ফসল নষ্ট হয়। বিষয়টি নিয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম শফিকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 










