
কালিয়াকৈর উপজেলা প্রতিনিধি: ঢাকা -টাঙ্গাইল মহাসড়কে সফিপুর আনসার একাডেমির সামনে একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে, যা যাত্রীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ ঘটনায় বাস, ট্রাক ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
“ঈদের পথে প্রাণের ঝুঁকি: আনন্দের বদলে হাসপাতালে ছুটছে অনেকে”
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে গতিরোধক, সিসিটিভি নজরদারি, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব। এছাড়া মহাসড়কের এই অংশে যান চলাচল আরও সুসংহত করতে নির্দিষ্ট লেন ব্যবস্থা কার্যকর করারও তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঈদের ছুটিতে প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে লাখো মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামের পথে ছুটছে। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই উৎসবমুখর যাত্রা অনেকের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনার কারণে অনেকেই প্রিয়জনের সান্নিধ্য পাওয়ার পরিবর্তে হাসপাতালে শুয়ে কষ্ট ভোগ করছেন।
দেশের মহাসড়কগুলোতে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। অতিরিক্ত গতি, চালকদের অসাবধানতা, যানবাহনের ত্রুটি এবং মহাসড়কের কিছু ঝুঁকিপূর্ণ স্থান একের পর এক দুর্ঘটনার কারণ হয়ে উঠছে। ঈদযাত্রার শুরু থেকেই বিভিন্ন সড়কে বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে প্রাণহানির পাশাপাশি অনেকেই গুরুতর আহত হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কড়া ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা, চালকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা রাখা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে এবং অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে যাত্রা করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের আনন্দ যেন শোকে পরিণত না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উদযাপন করাই হোক সবার লক্ষ্য।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রকাশনায়-দৈনিক ক্রাইম তালাশ।
প্রতিবেদকের নাম 










