
মোহাম্মদ সান-মেহেরপুর জেলা◼️
মেহেরপুরের গাংনীতে স্ত্রীকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেছিলেন সেন্টু ইমাম। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। সাত বছর আগের সেই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ এস.এম. নাসিম রেজা এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। সাজার পাশাপাশি সেন্টুকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২০১৬ সালের জুন মাসে সেন্টু তার স্ত্রী সাগরিকা খাতুনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। হত্যার পর এটি আত্মহত্যা বলে চালাতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ময়নাতদন্তে বেরিয়ে আসে প্রকৃত সত্য। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা গঠন হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলায় সাক্ষ্য দেন ১৭ জন। তাদের সাক্ষ্যে উঠে আসে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত। আদালত রায়ে বলেন, “একজন স্বামীর কাছে স্ত্রী ভালোবাসা ও নিরাপত্তা আশা করে। সেই স্বামীর হাতে তার প্রাণহানি সমাজের জন্য কলঙ্কজনক।”
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সাইদুল রাজ্জাক। তিনি বলেন, “রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সকল প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে।”
অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একেএম নুরুল হাসান রঞ্জ উচ্চ আদালতে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।
এ রায়ের মাধ্যমে সাত বছর পর সাগরিকার পরিবার পেল ন্যায়ের আশ্বাস ও শান্তি।
প্রতিবেদকের নাম 



















