
দুলাল হুসাইন,নিজস্ব প্রতিবেদক: লালমনিরহাট -৩ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য (এমপি) এর নিকটতম আত্মীয় হওয়ার সুবাদে রাতারাতি আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে সাপটিবাড়ি ডিগ্রী কলেজের উপাধাক্ষ কেএম ওবায়দুল হকের। আর এই সাবেক এমপি মহোদয়ের আত্মীয়র পরিচয় কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে বদলিসহ নানা অনিয়মে জড়িত হয়ে পড়েন কেএম ওবায়দুল হক। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে স্কুল কলেজ মসজিদ-মাদ্রাসা রাস্তা কালভাট টি আর কাবিখা কাবিটা সহ নানা ধরনের কাজের কমিশন নিয়ে কাজ পাইয়ে দিতেন কেএম ওবায়দুল হক। আর তিনি এই অনিয়মের সিন্ডিকেটের টাকা দিয়েই লালমনিহাট শহরের জেলা পরিষদের পিছনে তিন তলা ফ্লাট নির্মাণ করেন। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে তার স্ত্রীর নামে রেখেছেন কোটি টাকা।কেএম ওবায়দুল হক অনিয়মের টাকায় খাতাপাড়া মৌজায় ১০০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য পাঁচ কোটি টাকা। তিনি আওয়ামী লীগের আমলে এতটাই ক্ষমতাধর ব্যক্তি ছিলেন যে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পেত না। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন কাজের কমিশন বাণিজ্য করতেন। কেএম ওবায়দুল হকের স্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে যোগদান করলেও এমপির পরিচয়ে হয়ে যান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা । সরকারি দপ্তরের সর্বক্ষেত্রে রয়েছে তার সক্রিয় সিন্ডিকেট।নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে এক ব্যক্তি বলেন কেএম ওবায়দুল হক কলেজের অনিয়ম দুর্নীতির সঙ্গেও জড়িত। শুধু তাই নয় কেএম ওবায়দুল হককে দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য সহ সব কাজ করাতেন সাবেক এমপি।শুধুমাত্র এমপির আত্মীয় হওয়ার কারণে এবং নিয়োগ – বাণিজ্য সিন্ডিকেট হোতা হওয়ার সুবাদে তার স্ত্রী সারপুকুর মাঝিপারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হতে সময় লাগেনি উপাধ্যক্ষ কে এম ওবায়দুল হকের। এ যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার পরাজয়ের পর বিএনপির লোকজনের সাথে সেলফির মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করছেন কে এম ওবায়দুল হক।
প্রতিবেদকের নাম 










