Dhaka ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

সকলের প্রিয় লালমনিরহাটের আশিক ভাই

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:৩১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৩০ সময় দেখুন
print news

মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট: আমাদের চলার পথে, কাজে-কর্মে অনেক মানুষের সঙ্গেই দেখা হয়। একজন মুসলিম হিসেবে অপর মুসলিম ভাইয়ের সঙ্গে কিভাবে সাক্ষাৎ করতে হবে, তা-ও শিখিয়েছেন মানবতার মুক্তির দূত রাসুলুল্লাহ (সা.)। আমরা সাধারণত নিজেদের মিথ্যা অহংকারের আঁধারে নিমজ্জিত হয়ে মানুষের সঙ্গে নম্রভাবে আচরণ করাই ভুলে গেছি। পরিচিত মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলেও মুখ গোমড়া করে থাকি।আমাদের সকলের প্রিয় আশিকুর রহমান আশিক ভাই তিনি সব সময় সকল লোকের সঙ্গে হাসিখুশিতে মেতে থাকতে ভালোবাসেন। এটা অবশ্য তারা আজকের অভ্যাস নয় ছোটবেলা থেকেই। পকেটে পয়সা থাকলে খরচ করা তার নেশা। অপরিচিত লোক দেখলেই সালাম বিনিময় আর ও ইত্যাদি ইত্যাদি। তিনি সব সময় তাবলীগ জামাত তাবলীগ জামাতের সাথী ভাইদেরকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতে ভালোবাসেন।শিক্ষাজীবনে তিনিও ছিলেন খুব মেধাবী। এসএসসি এইচএসসি এবং বিএ পরীক্ষায় তিনি কৃতিত্বের সাথে সুনাম অর্জন করেন। তিস্তা নদীর করাল গ্রাসে বাড়ি ভিটা তিস্তা নদীতে বিলীন হয়ে গেলে এবং তার বাবা মারা যাওয়ার পর অসহায় পড়েন আশিকুর রহমান আশিক। কিন্তু তার নদী ভাঙ্গলেও তার মন ভাঙ্গেনি। পরিবারের সকলের বড় হওয়ার কারণে দায়ভার পড়ে তার ওপর। এভাবে বিভিন্ন সময় ঢাকা শহরে ব্যবসা-বাণিজ্য করে চাকুরী করে ভাগ্য বদলের চেষ্টা করেন আশিকুর রহমান। বাড়ির পাশে গড়ে তোলেন মাদ্রাসা। বিভিন্ন সময় অসহায় লোকদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ছোট বাচ্চাদের খাওয়াতে ভালোবাসেন তিনি। এই খাওয়া অভ্যাসটা তা পূর্ণ দিনের। আর সবচেয়ে ভালো দিক হলো শত অভাবের মাঝে হাসিখুশি থাকতে দেখা যায় আশিকুর রহমান আশিক ভাই কে।সমাজের সকল লোকের সাথে তার সম্পর্ক অত্যন্ত সুমধুর। আর এই সুমধুর সম্পর্ক নিয়ে তিনি বেঁচে থাকতে চান। যেমনটি ছিলেন তার বাবা জালাল উদ্দিন বি এস সি।সবাই ওনাকে জালাল স্যার বলে ডাকতো। এই হুজুরের সঙ্গে একান্ত আলাপ করলে জানা যায় যে আমি ইসলাম ধর্মের অনুসারী। ইসলাম ধর্মের অনুসারী হলেও আমি বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার উৎসব সবার। বর্তমান তিনি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সাপটিবাড়ি ইউনিয়নের বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় বসবাস করেন পরিবার-পরিজন নিয়ে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

সকলের প্রিয় লালমনিরহাটের আশিক ভাই

আপডেটের সময়: ০৯:৩১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪
print news

মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট: আমাদের চলার পথে, কাজে-কর্মে অনেক মানুষের সঙ্গেই দেখা হয়। একজন মুসলিম হিসেবে অপর মুসলিম ভাইয়ের সঙ্গে কিভাবে সাক্ষাৎ করতে হবে, তা-ও শিখিয়েছেন মানবতার মুক্তির দূত রাসুলুল্লাহ (সা.)। আমরা সাধারণত নিজেদের মিথ্যা অহংকারের আঁধারে নিমজ্জিত হয়ে মানুষের সঙ্গে নম্রভাবে আচরণ করাই ভুলে গেছি। পরিচিত মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলেও মুখ গোমড়া করে থাকি।আমাদের সকলের প্রিয় আশিকুর রহমান আশিক ভাই তিনি সব সময় সকল লোকের সঙ্গে হাসিখুশিতে মেতে থাকতে ভালোবাসেন। এটা অবশ্য তারা আজকের অভ্যাস নয় ছোটবেলা থেকেই। পকেটে পয়সা থাকলে খরচ করা তার নেশা। অপরিচিত লোক দেখলেই সালাম বিনিময় আর ও ইত্যাদি ইত্যাদি। তিনি সব সময় তাবলীগ জামাত তাবলীগ জামাতের সাথী ভাইদেরকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতে ভালোবাসেন।শিক্ষাজীবনে তিনিও ছিলেন খুব মেধাবী। এসএসসি এইচএসসি এবং বিএ পরীক্ষায় তিনি কৃতিত্বের সাথে সুনাম অর্জন করেন। তিস্তা নদীর করাল গ্রাসে বাড়ি ভিটা তিস্তা নদীতে বিলীন হয়ে গেলে এবং তার বাবা মারা যাওয়ার পর অসহায় পড়েন আশিকুর রহমান আশিক। কিন্তু তার নদী ভাঙ্গলেও তার মন ভাঙ্গেনি। পরিবারের সকলের বড় হওয়ার কারণে দায়ভার পড়ে তার ওপর। এভাবে বিভিন্ন সময় ঢাকা শহরে ব্যবসা-বাণিজ্য করে চাকুরী করে ভাগ্য বদলের চেষ্টা করেন আশিকুর রহমান। বাড়ির পাশে গড়ে তোলেন মাদ্রাসা। বিভিন্ন সময় অসহায় লোকদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ছোট বাচ্চাদের খাওয়াতে ভালোবাসেন তিনি। এই খাওয়া অভ্যাসটা তা পূর্ণ দিনের। আর সবচেয়ে ভালো দিক হলো শত অভাবের মাঝে হাসিখুশি থাকতে দেখা যায় আশিকুর রহমান আশিক ভাই কে।সমাজের সকল লোকের সাথে তার সম্পর্ক অত্যন্ত সুমধুর। আর এই সুমধুর সম্পর্ক নিয়ে তিনি বেঁচে থাকতে চান। যেমনটি ছিলেন তার বাবা জালাল উদ্দিন বি এস সি।সবাই ওনাকে জালাল স্যার বলে ডাকতো। এই হুজুরের সঙ্গে একান্ত আলাপ করলে জানা যায় যে আমি ইসলাম ধর্মের অনুসারী। ইসলাম ধর্মের অনুসারী হলেও আমি বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার উৎসব সবার। বর্তমান তিনি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সাপটিবাড়ি ইউনিয়নের বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় বসবাস করেন পরিবার-পরিজন নিয়ে।