
মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট: আমাদের চলার পথে, কাজে-কর্মে অনেক মানুষের সঙ্গেই দেখা হয়। একজন মুসলিম হিসেবে অপর মুসলিম ভাইয়ের সঙ্গে কিভাবে সাক্ষাৎ করতে হবে, তা-ও শিখিয়েছেন মানবতার মুক্তির দূত রাসুলুল্লাহ (সা.)। আমরা সাধারণত নিজেদের মিথ্যা অহংকারের আঁধারে নিমজ্জিত হয়ে মানুষের সঙ্গে নম্রভাবে আচরণ করাই ভুলে গেছি। পরিচিত মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলেও মুখ গোমড়া করে থাকি।আমাদের সকলের প্রিয় আশিকুর রহমান আশিক ভাই তিনি সব সময় সকল লোকের সঙ্গে হাসিখুশিতে মেতে থাকতে ভালোবাসেন। এটা অবশ্য তারা আজকের অভ্যাস নয় ছোটবেলা থেকেই। পকেটে পয়সা থাকলে খরচ করা তার নেশা। অপরিচিত লোক দেখলেই সালাম বিনিময় আর ও ইত্যাদি ইত্যাদি। তিনি সব সময় তাবলীগ জামাত তাবলীগ জামাতের সাথী ভাইদেরকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতে ভালোবাসেন।শিক্ষাজীবনে তিনিও ছিলেন খুব মেধাবী। এসএসসি এইচএসসি এবং বিএ পরীক্ষায় তিনি কৃতিত্বের সাথে সুনাম অর্জন করেন। তিস্তা নদীর করাল গ্রাসে বাড়ি ভিটা তিস্তা নদীতে বিলীন হয়ে গেলে এবং তার বাবা মারা যাওয়ার পর অসহায় পড়েন আশিকুর রহমান আশিক। কিন্তু তার নদী ভাঙ্গলেও তার মন ভাঙ্গেনি। পরিবারের সকলের বড় হওয়ার কারণে দায়ভার পড়ে তার ওপর। এভাবে বিভিন্ন সময় ঢাকা শহরে ব্যবসা-বাণিজ্য করে চাকুরী করে ভাগ্য বদলের চেষ্টা করেন আশিকুর রহমান। বাড়ির পাশে গড়ে তোলেন মাদ্রাসা। বিভিন্ন সময় অসহায় লোকদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ছোট বাচ্চাদের খাওয়াতে ভালোবাসেন তিনি। এই খাওয়া অভ্যাসটা তা পূর্ণ দিনের। আর সবচেয়ে ভালো দিক হলো শত অভাবের মাঝে হাসিখুশি থাকতে দেখা যায় আশিকুর রহমান আশিক ভাই কে।সমাজের সকল লোকের সাথে তার সম্পর্ক অত্যন্ত সুমধুর। আর এই সুমধুর সম্পর্ক নিয়ে তিনি বেঁচে থাকতে চান। যেমনটি ছিলেন তার বাবা জালাল উদ্দিন বি এস সি।সবাই ওনাকে জালাল স্যার বলে ডাকতো। এই হুজুরের সঙ্গে একান্ত আলাপ করলে জানা যায় যে আমি ইসলাম ধর্মের অনুসারী। ইসলাম ধর্মের অনুসারী হলেও আমি বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার উৎসব সবার। বর্তমান তিনি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সাপটিবাড়ি ইউনিয়নের বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় বসবাস করেন পরিবার-পরিজন নিয়ে।
প্রতিবেদকের নাম 










