
মোঃ আরমান আলী,সৈয়দপুর প্রতিনিধি: পৌষের কুয়াশাছন্ন সকাল সময় তখন ৭ টা বেজে ৩০ মিনিট।
প্রমি রজক রোজ ঘুম থেকে উঠে রওনা দেন ব্যায়াম করার উদ্দেশ্য।
রাস্তার ধারে রোজ দেখতে পান একটি মুদি দোকান। স্বল্প পুজি নিয়ে কম্বল জড়িয়ে দোকানে বসে থাকেন লোকটি। বয়স ৪০ বা ৪২ হবে, সচারাচর কাস্টমার দেখতে পাননা
দোকানের এমন দূরাবস্থা দেখে প্রমি রজক একদিন দোকানদার লোকটির সাথে কথা বলেন।
জানতে চান দোকানের এমন দূরাবস্থা নিয়ে
দোকানদার জানান শৈশব থেকে ভ্যান/রিকসা চালাইতাম যা আয় রোজগার হতো তা দিয়েই স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভালই দিনকাল চলতো
কিন্তু মাস পাঁচেক পূর্বে একদিন রিকসা এক্সিডেন্ট হয়ে বুকের একটি হাড় ভেঙে যায়।
জমানো টাকা দিয়ে চিকিৎসা করি কিছুটা সুস্থ হলে পরবর্তীতে ডাক্তার ভারি কাজকর্ম করতে নিষেধ করে। তাই স্বল্প পুজি নিয়ে এই দোকানটা গড়ি। কিন্তু মালামাল তেমন না থাকার কারনে আয় রোজগার হয়না।
দরিদ্র দোকানদার রশিদুল ইসলামের এমন দূরাবস্থার কথা সুনে প্রমি রজক তার সংগঠন হৃদয়ে সৈয়দপুর সদস্যদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেন।
পরবর্তীতে রশিদুল ইসলামের দূরাবস্থার কথা সুনে সকল সদস্য মিলে দোকানে মালামাল দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
তারই ধারাবাহিকতায় ১৪ জানুয়ারি মঙ্গলবার পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড নিয়ামতপুর দেওয়ানীপাড়ায় রশিদুল ইসলামের দোকানে মালামাল দেন হৃদয়ে সৈয়দপুর সংগঠন সৈয়দপুর পৌরশাখা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হৃদয়ে সৈয়দপুর সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সোহেল রানা,উপদেষ্টা বুলবুল সরকার,উপজেলা সভাপতি মাসুদ পারভেজ, পৌর সভাপতি প্রমি রজক,সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম রেজা, ছাত্রনেতা শাকিল চৌধুরী, বুলবুল হোসেন, আতিকুল ইসলাম,মোঃ শাহিন, মোঃ জাহেদুল প্রমুখ।
প্রতিবেদকের নাম 










