Dhaka ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বগুড়ায় বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ বগুড়ায় জলাবদ্ধতার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ নরসিংদীতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে কৃষক দলের প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে ২ মাসের নবজাতকের পা ভাঙার অভিযোগ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল বর্বরতা নরসিংদীর মাদকের আস্তানায় র‍্যাবের অভিযান: অস্ত্র ও ককটেল উদ্ধার সুনামগঞ্জে ২৪ বোতল বিদেশি মদসহ মাদক কারবারি আটক বগুড়ার কাহালুতে জলাবদ্ধতা, জনদুর্ভোগ কমাতে সরাসরি মাঠে ইউএনও বগুড়া শহরে মাদকবিরোধী অভিযান: ১০ মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড নরসিংদীতে টানা বর্ষণে লাখো মানুষ পানিবন্দি, দেয়াল ধসে বৃদ্ধার মৃত্যু কক্সবাজারের রামুতে অস্ত্র ও ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

কেশবপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল

print news

◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর (যশোর)

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোরের কেশবপুর উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে এক বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার(৪ আগষ্ট)বিকেল ৫টায় কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রধান কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়। কালীমন্দির রোড, প্রেসক্লাব মোড়, গাজীর মোড়, হাসপাতাল রোড, উপজেলা রোড, থানার মোড় ঘুরে পুনরায় গাজীর মোড়ে এসে মিছিলটি শেষ হয়।

গণমিছিলে সভাপতিত্ব করেন কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মোক্তার আলী। উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সামাদ, উপজেলা নায়েবে আমীর মাস্টার রেজাউল ইসলাম, সেক্রেটারি মাস্টার রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক তবিবুর রহমান, সাংগঠনিক বায়তুল সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবু হুরায়রা, পেশাজীবী বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট ওয়াজিউর রহমান, সমাজসেবা বিভাগের প্রধান কৃষিবিদ তাজামুল ইসলাম দীপু, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় স্পোর্টস সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, কেশবপুর পৌর আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন, সদর ইউনিয়নের আমীর অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি আয়াতুল্লাহ খোমেনিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

গণমিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মোক্তার আলী বলেন, “ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আমরা এই কর্মসূচি পালন করেছি। আমাদের লক্ষ্য একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠা, যেখানে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ধর্ষণকারী, দখলদার কিংবা স্বৈরাচারী কারো স্থান থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী নির্বাচনে এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, যিনি ঘুণে ধরা সমাজে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন। কেশবপুরের সচেতন নাগরিকদের কাছে আহ্বান, আপনারা যোগ্য ও সৎ প্রার্থীকে বেছে নিন, যারা সমাজকে আদর্শের পথে পরিচালিত করবে।”

বক্তব্য শেষে দোয়ার মাধ্যমে গণমিছিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

বগুড়ায় বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ

কেশবপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল

আপডেটের সময়: ০৯:৪২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
print news

◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর (যশোর)

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোরের কেশবপুর উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে এক বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার(৪ আগষ্ট)বিকেল ৫টায় কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রধান কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়। কালীমন্দির রোড, প্রেসক্লাব মোড়, গাজীর মোড়, হাসপাতাল রোড, উপজেলা রোড, থানার মোড় ঘুরে পুনরায় গাজীর মোড়ে এসে মিছিলটি শেষ হয়।

গণমিছিলে সভাপতিত্ব করেন কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মোক্তার আলী। উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সামাদ, উপজেলা নায়েবে আমীর মাস্টার রেজাউল ইসলাম, সেক্রেটারি মাস্টার রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক তবিবুর রহমান, সাংগঠনিক বায়তুল সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবু হুরায়রা, পেশাজীবী বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট ওয়াজিউর রহমান, সমাজসেবা বিভাগের প্রধান কৃষিবিদ তাজামুল ইসলাম দীপু, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় স্পোর্টস সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, কেশবপুর পৌর আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন, সদর ইউনিয়নের আমীর অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি আয়াতুল্লাহ খোমেনিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

গণমিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মোক্তার আলী বলেন, “ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আমরা এই কর্মসূচি পালন করেছি। আমাদের লক্ষ্য একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠা, যেখানে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ধর্ষণকারী, দখলদার কিংবা স্বৈরাচারী কারো স্থান থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী নির্বাচনে এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, যিনি ঘুণে ধরা সমাজে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন। কেশবপুরের সচেতন নাগরিকদের কাছে আহ্বান, আপনারা যোগ্য ও সৎ প্রার্থীকে বেছে নিন, যারা সমাজকে আদর্শের পথে পরিচালিত করবে।”

বক্তব্য শেষে দোয়ার মাধ্যমে গণমিছিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।