Dhaka ০৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক শক্তি সংরক্ষণ করছে ইরান

print news

আন্তর্জাতিক ডেস্ক◾

 

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। এই দ্বন্দ্বে এবার যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের বিশ্লেষক আব্বাস আসলানি আল জাজিরাকে বলেন, “যুদ্ধের পরিধি ক্রমেই বাড়ছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হস্তক্ষেপ করে, তাহলে এটি নতুন এক পর্যায়ের আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যার প্রভাব শুধু ইরান বা ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।”

 

তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের অন্যতম কৌশলগত শক্তির ঘাঁটি পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। তবে এখনো পর্যন্ত ইরান এই শক্তিকে পুরোপুরি ব্যবহার করেনি। এমনকি ইরান তার সামরিক শক্তির একটি বড় অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার থেকে বিরত রেখেছে।

 

আসলানি বলেন, “তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে নামানোর আগেই কিছু শক্তি সংরক্ষিত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি সরাসরি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে, তখনই এই শক্তিগুলো ব্যবহার করা হবে।”

 

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি হস্তক্ষেপ করে, তাহলে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাবে এবং নতুন ধাপে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও আঞ্চলিক স্বার্থে আঘাত হানবে।”

 

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি শুধু ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। সম্ভাব্য সংঘাতে ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহ, সিরিয়া ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও যুক্ত হতে পারে।

 

তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখা এবং সব পক্ষকে সংযত আচরণের আহ্বান জানানো। কারণ, এই সংঘাত পূর্ণমাত্রায় বিস্ফোরিত হলে তা গোটা মধ্যপ্রাচ্যকেই জ্বলন্ত রণাঙ্গনে পরিণত করতে পারে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক শক্তি সংরক্ষণ করছে ইরান

আপডেটের সময়: ১১:৫১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
print news

আন্তর্জাতিক ডেস্ক◾

 

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। এই দ্বন্দ্বে এবার যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের বিশ্লেষক আব্বাস আসলানি আল জাজিরাকে বলেন, “যুদ্ধের পরিধি ক্রমেই বাড়ছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হস্তক্ষেপ করে, তাহলে এটি নতুন এক পর্যায়ের আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যার প্রভাব শুধু ইরান বা ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।”

 

তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের অন্যতম কৌশলগত শক্তির ঘাঁটি পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। তবে এখনো পর্যন্ত ইরান এই শক্তিকে পুরোপুরি ব্যবহার করেনি। এমনকি ইরান তার সামরিক শক্তির একটি বড় অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার থেকে বিরত রেখেছে।

 

আসলানি বলেন, “তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে নামানোর আগেই কিছু শক্তি সংরক্ষিত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি সরাসরি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে, তখনই এই শক্তিগুলো ব্যবহার করা হবে।”

 

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি হস্তক্ষেপ করে, তাহলে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাবে এবং নতুন ধাপে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও আঞ্চলিক স্বার্থে আঘাত হানবে।”

 

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি শুধু ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। সম্ভাব্য সংঘাতে ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহ, সিরিয়া ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও যুক্ত হতে পারে।

 

তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখা এবং সব পক্ষকে সংযত আচরণের আহ্বান জানানো। কারণ, এই সংঘাত পূর্ণমাত্রায় বিস্ফোরিত হলে তা গোটা মধ্যপ্রাচ্যকেই জ্বলন্ত রণাঙ্গনে পরিণত করতে পারে।