Dhaka ০২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চিকিৎসাকেন্দ্রে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ লাখ টাকার অবৈধ সার জব্দ, চালক ও হেলপারকে জরিমানা দায়িত্বশীলদের দক্ষতা বাড়াতে ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে অনলাইন জুয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রামুতে কাভার্ড ভ্যান-সিএনজি সংঘর্ষে উখিয়ার দুই বোনসহ নিহত ৩ হাওরের শিক্ষায় যুগান্তকারী বদল, আসছে নতুন পরিকল্পনা নরসিংদীর মাধবদী হাটে কোটি টাকার অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, ৩ জনের জরিমানা কদমতলীতে আড়াই লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার ২ কাফরুলে যুবদল কর্মী হত্যা, ৭ জন গ্রেফতার নরসিংদীতে বাসে অভিযান, দেড় হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

রায়পুরায় ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে ব্যবসায়ী খুন:প্রধান আসামি গ্রেফতার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • ৫৪৩ সময় দেখুন

মাদকাসক্ত আসামি শামীম

print news

আল আমিন–নরসিংদী◼️

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে শামীম নামে এক মাদকসেবী। বুধবার (২ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে এ রক্তাক্ত ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক শামীমকে গ্রেফতার করেছে রায়পুরা মডেল থানা পুলিশ।

নিহত ব্যক্তি পার্শ্ববর্তী মির্জানগর ইউনিয়নের মেজেরকান্দী গ্রামের বাসিন্দা এবং হাসনাবাদ বাজারের ‘তাহসিন ইলেকট্রনিক অ্যান্ড স্যানিটারি’ দোকানের মালিক মোহাম্মদ শাহিন (৪২)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহিন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত কাজে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। তিনি হিসাব সহকারীর কক্ষে বসে ছিলেন। ঠিক তখনই স্থানীয় মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত শামীম মাতাল অবস্থায় পরিষদে প্রবেশ করে। শুরুতে উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারো সে ফিরে আসে ধারালো দা হাতে এবং ঘরে ঢুকেই শাহিনকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। প্রাণপণ চেষ্টা করেও উপস্থিত লোকজন শামীমকে থামাতে পারেননি। হামলায় ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কামাল হোসেনসহ আরও দুজন আহত হন।

রক্তাক্ত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহিনের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল।

এদিকে এলাকাবাসীর তৎপরতায় ঘাতক শামীমকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ জানান, ‘‘ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শামীমকে আটক করি। বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’

ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইউনিয়ন পরিষদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি পরিষদের ভেতরে এমন নৃশংস ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সাধারণ জনগণ।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

চিকিৎসাকেন্দ্রে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ

রায়পুরায় ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে ব্যবসায়ী খুন:প্রধান আসামি গ্রেফতার

আপডেটের সময়: ০৮:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
print news

আল আমিন–নরসিংদী◼️

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে শামীম নামে এক মাদকসেবী। বুধবার (২ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে এ রক্তাক্ত ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক শামীমকে গ্রেফতার করেছে রায়পুরা মডেল থানা পুলিশ।

নিহত ব্যক্তি পার্শ্ববর্তী মির্জানগর ইউনিয়নের মেজেরকান্দী গ্রামের বাসিন্দা এবং হাসনাবাদ বাজারের ‘তাহসিন ইলেকট্রনিক অ্যান্ড স্যানিটারি’ দোকানের মালিক মোহাম্মদ শাহিন (৪২)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহিন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত কাজে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। তিনি হিসাব সহকারীর কক্ষে বসে ছিলেন। ঠিক তখনই স্থানীয় মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত শামীম মাতাল অবস্থায় পরিষদে প্রবেশ করে। শুরুতে উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারো সে ফিরে আসে ধারালো দা হাতে এবং ঘরে ঢুকেই শাহিনকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। প্রাণপণ চেষ্টা করেও উপস্থিত লোকজন শামীমকে থামাতে পারেননি। হামলায় ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কামাল হোসেনসহ আরও দুজন আহত হন।

রক্তাক্ত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহিনের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল।

এদিকে এলাকাবাসীর তৎপরতায় ঘাতক শামীমকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ জানান, ‘‘ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শামীমকে আটক করি। বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’

ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইউনিয়ন পরিষদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি পরিষদের ভেতরে এমন নৃশংস ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সাধারণ জনগণ।