
◼️দেলোয়ার খান–স্টাফ রিপোর্টার
আমীরে জামায়াত বক্তব্য শুরু করলেন। কিন্তু শুরুটা কিছুক্ষণের মধ্যেই থমকে গেলো। হঠাৎ করে পড়ে গেলেন তিনি। মুহূর্তেই সভাস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ডাক্তার ও নেতাকর্মীরা ছুটে আসেন। কেউ পানি দিচ্ছেন, কেউ স্যালাইন দিতে চাইছেন। পরিস্থিতি থমথমে।
কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার— কিছুক্ষণ পরই উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা না করে, বসে থেকেই আবার শুরু করলেন বক্তব্য। ডাক্তাররা বারবার অনুরোধ করছেন, নেতৃবৃন্দ বলছেন, এখন বক্তব্য নয়, আগে চিকিৎসা। কিন্তু তিনি মানলেন না। বললেন, এই অবস্থাতেও কিছু কথা বলা দরকার।
বসা অবস্থায়ই বললেন, “আমি শিশুদের ভাই, তরুণদের ভাই, বোনদের ভাই, বৃদ্ধদের সহযোদ্ধা।” তাঁর কণ্ঠ কাঁপছিল, কিন্তু বার্তা ছিল শক্ত।
তিনি বললেন, এই দেশ কেবল একটি শ্রেণির জন্য নয়। বাংলাদেশ হবে সবার জন্য। দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন। বললেন, আমরা এমন এক রাজনীতি চাই, যেখানে কেবল ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য সংগ্রাম হবে।
তারপর আবারও একবার জ্ঞান হারালেন। সভাস্থলে নেমে এলো স্তব্ধতা। সবাই ভয়ে, দুশ্চিন্তায়। তবুও কিছুক্ষণ পর আবারও জ্ঞান ফিরে পেয়ে বললেন, “আল্লাহ যে সময় নির্ধারণ করেছেন, তার এক মুহূর্ত আগেও আমার মৃত্যু হবে না, এক মুহূর্ত পরেও না। আমি যা বলতে এসেছি, তা শেষ করেই যাব।
তাঁর এই মনোবল, এই আত্মবিশ্বাস উপস্থিত সবার মনে নাড়া দিয়েছে। একজন সত্যিকারের নেতার দৃঢ়তা কেমন হয়, তা যেন সবাই চোখে দেখলো সেদিন।
এই প্রতিবেদনটি তৈরিতে উপস্থিত ব্যক্তিদের অভিব্যক্তিও স্থান পেয়েছে। তারা বলেন, এমন দৃঢ় মানসিকতা আজকের রাজনীতিতে বিরল।
প্রতিবেদকের নাম 






















