
◼️এস এম রুহুল তাড়াশী–চলনবিল
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভয়াবহ বন্যায় হাজার বিঘা বিস্তীর্ণ গোচারণভূমি ও চাষের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে প্রাকৃতিক ঘাস ও গোখাদ্যের উৎস নিঃশেষ হয়ে খামারিরা এখন খৈল, ভুসি ও প্যাকেটজাত খাদ্যের ওপর নির্ভরশীল।
খামারিরা জানান, বন্যার শুরুতেই খাদ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খৈল, ভুসি ও প্যাকেটজাত গোখাদ্যের প্রতি বস্তার দাম ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দুধ উৎপাদন কমেছে, পশুরা পর্যাপ্ত পুষ্টি পাচ্ছে না এবং সীমিত স্থানে গাদাগাদি করে রাখায় রোগব্যাধি বাড়ছে। খুরা, তড়কা, ম্যাসটাইটিসসহ ভাইরাসজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে গরু।
চক জয় কৃষ্ণপুর গ্রামের খামারি ইসমাইল হোসেন বলেন, গরু বিক্রি করলেও খাদ্যের দাম বাড়ছে না, তাই লোকসান সহ্য করতে হচ্ছে। নওগাঁ ইউনিয়নের খামারিরাও বলেন, বাঁধ ভেঙে সব বাথান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সবুজ ঘাস নেই, দুধ কমছে এবং পশু অসুস্থ হচ্ছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। মাঠপর্যায়ে ভেটেরিনারি চিকিৎসকরা নিরলসভাবে কাজ করছেন এবং খামারিদের টিকা, কৃমিনাশক ও সেবামূলক দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
বন্যাকবলিত তাড়াশের পশুপালন এখন এক দুঃসহ পরীক্ষার মুখোমুখি, খামারিরা দুর্ভোগে রয়েছেন এবং গবাদিপশুর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 

























