Dhaka ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

বিকৃত তথ্য প্রচারে সমালোচনার ঝড়,মুখ খুললেন জামায়াত নেতা

print news

◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর (যশোর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান অভিযোগ করেছেন, তার বক্তব্য বিকৃত করে কিছু অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান জানান, ৪ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে একটি মামলার বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে যান। তার সঙ্গে ছিলেন ৩নং মজিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি ইব্রাহিম হোসেন এবং বিএনপি নেতা বাগদহা গ্রামের আবু সাঈদ। আলোচনা শেষে রাত ৯টার দিকে থানার বারান্দায় দেখতে পান কেশবপুর ছাত্রদলের সভাপতি মো. আজিজুর রহমান ও তার সঙ্গে থাকা ১৫-২০ জন ছাত্রদল নেতা-কর্মী দুইজন যুবককে আক্রমণ করার চেষ্টা করছেন। পরে জানা যায়, তাদের একজনের নাম ফারুক, যিনি ৮নং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড যুবজামায়াতের সেক্রেটারি, অপরজন রাজিব, যাকে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে অভিযুক্ত করেন।

তিনি বলেন, “আমাকে দেখে ওই দুই যুবক বিপদ থেকে রক্ষার জন্য আমার কাছে আশ্রয় চান। মানবিক কারণে আমি তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করি। কিন্তু উত্তেজিত নেতা-কর্মীদের থামানো আমার একার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। পরে এসআই মকলেসুর রহমান ঘটনাস্থলে আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কৌশলগতভাবে তাকে সামান্য উচ্চস্বরে কথা বলি, যাতে যুবক দুজনকে উদ্ধার করা যায় এবং থানার ভেতরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয়।”

এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান আরও জানান, এটি কোনো হুমকি ছিল না, বরং তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার একটি কৌশল মাত্র। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে তার সম্পর্কের কোনো অবনতি হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ঘটনার শিকার ফারুক ও রাজিব বলেন, “ওজিয়ার ভাই না থাকলে আমরা সেদিন মারাত্মক আহত হতাম। তিনি না থাকলে আমাদের পক্ষে বেঁচে যাওয়া সম্ভব হতো না।” তাদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করা হয়েছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

বিকৃত তথ্য প্রচারে সমালোচনার ঝড়,মুখ খুললেন জামায়াত নেতা

আপডেটের সময়: ০১:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
print news

◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর (যশোর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান অভিযোগ করেছেন, তার বক্তব্য বিকৃত করে কিছু অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান জানান, ৪ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে একটি মামলার বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে যান। তার সঙ্গে ছিলেন ৩নং মজিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি ইব্রাহিম হোসেন এবং বিএনপি নেতা বাগদহা গ্রামের আবু সাঈদ। আলোচনা শেষে রাত ৯টার দিকে থানার বারান্দায় দেখতে পান কেশবপুর ছাত্রদলের সভাপতি মো. আজিজুর রহমান ও তার সঙ্গে থাকা ১৫-২০ জন ছাত্রদল নেতা-কর্মী দুইজন যুবককে আক্রমণ করার চেষ্টা করছেন। পরে জানা যায়, তাদের একজনের নাম ফারুক, যিনি ৮নং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড যুবজামায়াতের সেক্রেটারি, অপরজন রাজিব, যাকে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে অভিযুক্ত করেন।

তিনি বলেন, “আমাকে দেখে ওই দুই যুবক বিপদ থেকে রক্ষার জন্য আমার কাছে আশ্রয় চান। মানবিক কারণে আমি তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করি। কিন্তু উত্তেজিত নেতা-কর্মীদের থামানো আমার একার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। পরে এসআই মকলেসুর রহমান ঘটনাস্থলে আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কৌশলগতভাবে তাকে সামান্য উচ্চস্বরে কথা বলি, যাতে যুবক দুজনকে উদ্ধার করা যায় এবং থানার ভেতরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয়।”

এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান আরও জানান, এটি কোনো হুমকি ছিল না, বরং তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার একটি কৌশল মাত্র। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে তার সম্পর্কের কোনো অবনতি হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ঘটনার শিকার ফারুক ও রাজিব বলেন, “ওজিয়ার ভাই না থাকলে আমরা সেদিন মারাত্মক আহত হতাম। তিনি না থাকলে আমাদের পক্ষে বেঁচে যাওয়া সম্ভব হতো না।” তাদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করা হয়েছে।