Dhaka ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিংক সমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত কক্সবাজারের রামুতে আগামীকাল ‘ওয়াক ফর জাস্টিস, এগেইনস্ট ফ্যাসিজম’ পদযাত্রা কুড়িগ্রামে সাংবাদিক জুবায়েরের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের আইনের আওতার দাবি সুনামগঞ্জে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর অবমাননার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ ও শাস্তির দাবি বগুড়ার শাজাহানপুরে নদী থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার ২০ হাজার অবৈধ অটোরিকশার দখলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর, প্রশাসনিক ঠেলাঠেলিতে স্থবির জনজীবন নওগাঁর রাণীনগরে নানা আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত: শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সংবর্ধনা খুলনার দাকোপে প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত নরসিংদীতে যথাযথ মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজি চালকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

print news

◼️জুনায়েদ–ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। রবিবার (২৭ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মবিরতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, রোগী এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় যানবাহনের অভাবে বিপাকে পড়েন অনেকে। বিকল্প হিসেবে কিছু বাস চলাচল করলেও সেগুলোতে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। দেড়গুণ পর্যন্ত বেশি ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন যাত্রীরা। অনেকেই দীর্ঘ পথ হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছেছেন।

একজন অসুস্থ যাত্রীর স্বজন জানান, “হাসপাতালে নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। সিএনজি নেই, রিকশাও খুব একটা চলেনি। শেষ পর্যন্ত হেঁটেই রোগীকে নিয়ে যেতে হয়েছে।

সিএনজি চালকদের অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশের হয়রানিতে তারা অতিষ্ঠ। প্রতিনিয়ত নানা অজুহাতে মামলা ও জরিমানা গুনতে হচ্ছে। তাদের ভাষায়, “একটা গাড়ি দিয়ে দিনে যা আয় হয়, তার চেয়ে বেশি দিতে হয় মামলার টাকায়। সংসার চালানো তো দূরের কথা, শিশুর দুধ কেনার টাকা পর্যন্ত থাকে না।

জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি হাজি মো. মিজানুর রহমান জানান, “ট্রাফিক পুলিশ অহেতুক গাড়ি আটকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে নতুন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম বন্ধ। এ অবস্থায় কাজ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।

শনিবার মালিক সমিতির জরুরি বৈঠকে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবিগুলোর সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।

এদিকে রবিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে চালক ও মালিক পক্ষের বৈঠক শুরু হয়। আলোচনা ফলপ্রসূ হলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন নেতারা।

বিষয়টি নিয়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মো. সজীব মিয়া বলেন, “সিএনজিচালকদের অভিযোগ ভিত্তিহীন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দেন না। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত সমাধানে পৌঁছাবে এবং শহরে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিংক সমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজি চালকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

আপডেটের সময়: ০৬:০৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
print news

◼️জুনায়েদ–ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। রবিবার (২৭ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মবিরতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, রোগী এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় যানবাহনের অভাবে বিপাকে পড়েন অনেকে। বিকল্প হিসেবে কিছু বাস চলাচল করলেও সেগুলোতে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। দেড়গুণ পর্যন্ত বেশি ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন যাত্রীরা। অনেকেই দীর্ঘ পথ হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছেছেন।

একজন অসুস্থ যাত্রীর স্বজন জানান, “হাসপাতালে নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। সিএনজি নেই, রিকশাও খুব একটা চলেনি। শেষ পর্যন্ত হেঁটেই রোগীকে নিয়ে যেতে হয়েছে।

সিএনজি চালকদের অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশের হয়রানিতে তারা অতিষ্ঠ। প্রতিনিয়ত নানা অজুহাতে মামলা ও জরিমানা গুনতে হচ্ছে। তাদের ভাষায়, “একটা গাড়ি দিয়ে দিনে যা আয় হয়, তার চেয়ে বেশি দিতে হয় মামলার টাকায়। সংসার চালানো তো দূরের কথা, শিশুর দুধ কেনার টাকা পর্যন্ত থাকে না।

জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি হাজি মো. মিজানুর রহমান জানান, “ট্রাফিক পুলিশ অহেতুক গাড়ি আটকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে নতুন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম বন্ধ। এ অবস্থায় কাজ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।

শনিবার মালিক সমিতির জরুরি বৈঠকে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবিগুলোর সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।

এদিকে রবিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে চালক ও মালিক পক্ষের বৈঠক শুরু হয়। আলোচনা ফলপ্রসূ হলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন নেতারা।

বিষয়টি নিয়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মো. সজীব মিয়া বলেন, “সিএনজিচালকদের অভিযোগ ভিত্তিহীন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দেন না। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত সমাধানে পৌঁছাবে এবং শহরে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।