
◼️আরিফুর রহমান–লক্ষ্মীপুর সদর
শিক্ষক নাকি নিকাহ রেজিস্ট্রার—এই দ্বৈত দায়িত্বকে ঘিরে লক্ষ্মীপুরের চরশাহীতে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্ত শিক্ষক পদে কর্মরত থেকেও একই সঙ্গে নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করছেন, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধিবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
জানা গেছে, রামপুর গ্রামের কাজী এমরান হোসেন রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ধর্মীয়) হিসেবে কর্মরত এবং বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি চরশাহী ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার পদে বহাল রয়েছেন এবং এখান থেকেও আর্থিক সুবিধা ভোগ করছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা অন্য কোনো আর্থিক লাভজনক পদে চাকরি করতে পারেন না। একাধিক পদে দায়িত্ব পালন করলে এমপিও বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে।
এ অবস্থায় স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষক পরিচয়ে নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করায় শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্ব পালনে গাফিলতি হচ্ছে। পাশাপাশি অভিযোগ রয়েছে, নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ তিনি নিজে না করে অন্যের মাধ্যমে করাচ্ছেন।
বিতর্কিত শিক্ষক কাজী এমরান হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, দুটি পদই বেসরকারি এবং অন্যদেরও একইভাবে দায়িত্ব পালনের নজির রয়েছে। তবে প্রয়োজনে তিনি যেকোনো একটি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথাও বলেন।
শিক্ষা মহল মনে করছে, এ ধরনের দ্বৈত দায়িত্ব নীতিমালা বিরোধী এবং এর ফলে শিক্ষা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি আইনের প্রতি অবহেলার দৃষ্টান্ত তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রতিবেদকের নাম 


























