Dhaka ১০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

সন্তানের স্বীকৃতি না দিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান স্থানীয়রা

print news

◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর (যশোর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর বাজারে সন্তানের স্বীকৃতি চাওয়ায় তাসলিমা বেগমকে বেধড়ক মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত সোহাগ হোসেনের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে হাসানপুর বাজারের চার রাস্তার মোড়ে আয়োজিত এ মানববন্ধনে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টিটাবাজিতপুর গ্রামের সোহাগ হোসেন তাসলিমা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে তার বাড়িতে যাওয়া-আসার সুযোগ নেয়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করলে তাসলিমা গর্ভবতী হন। পরে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন, যার নাম রাখা হয় মোছাঃ রোজা খাতুন। কিন্তু সন্তানের জন্মের পর থেকেই অভিযুক্ত সোহাগ তাসলিমা ও শিশুটিকে খুন জখমের হুমকি দিতে থাকে।

গত ৬ আগস্ট দুপুরে সোহাগ হাতে ধারালো হাসুয়া নিয়ে হাসানপুর বাজারের তাসলিমার ভাড়া বাসায় প্রবেশ করে সন্তানের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় তাসলিমা বাধা দিলে তাকে গলা চেপে ধাক্কা দিয়ে ফেলে কিল-ঘুষি মেরে জখম করে। পরে শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সোহাগ হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। আহত তাসলিমা ও তার শিশুকন্যাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে বাজারে দুশ্চরিত্র ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, একাধিকবার সালিশও হয়েছে। তারা দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত সোহাগ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি নির্দোষ এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণের প্রস্তাব দেন।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাটি নিয়ে থানায় মারামারির মামলা হয়েছে এবং আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান চলছে। পাশাপাশি সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

সন্তানের স্বীকৃতি না দিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান স্থানীয়রা

আপডেটের সময়: ০৮:৫৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
print news

◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর (যশোর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর বাজারে সন্তানের স্বীকৃতি চাওয়ায় তাসলিমা বেগমকে বেধড়ক মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত সোহাগ হোসেনের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে হাসানপুর বাজারের চার রাস্তার মোড়ে আয়োজিত এ মানববন্ধনে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টিটাবাজিতপুর গ্রামের সোহাগ হোসেন তাসলিমা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে তার বাড়িতে যাওয়া-আসার সুযোগ নেয়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করলে তাসলিমা গর্ভবতী হন। পরে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন, যার নাম রাখা হয় মোছাঃ রোজা খাতুন। কিন্তু সন্তানের জন্মের পর থেকেই অভিযুক্ত সোহাগ তাসলিমা ও শিশুটিকে খুন জখমের হুমকি দিতে থাকে।

গত ৬ আগস্ট দুপুরে সোহাগ হাতে ধারালো হাসুয়া নিয়ে হাসানপুর বাজারের তাসলিমার ভাড়া বাসায় প্রবেশ করে সন্তানের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় তাসলিমা বাধা দিলে তাকে গলা চেপে ধাক্কা দিয়ে ফেলে কিল-ঘুষি মেরে জখম করে। পরে শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সোহাগ হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। আহত তাসলিমা ও তার শিশুকন্যাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে বাজারে দুশ্চরিত্র ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, একাধিকবার সালিশও হয়েছে। তারা দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত সোহাগ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি নির্দোষ এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণের প্রস্তাব দেন।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাটি নিয়ে থানায় মারামারির মামলা হয়েছে এবং আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান চলছে। পাশাপাশি সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।