Dhaka ১০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে আবাসিক শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতন: মাদরাসা শিক্ষক আটক নরসিংদীর রায়পুরায় ১৮টি জাল ৫০ টাকার নোটসহ ইমন গ্রেপ্তার মেসের কক্ষে মিলল নার্সিং ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিংক সমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত কক্সবাজারের রামুতে আগামীকাল ‘ওয়াক ফর জাস্টিস, এগেইনস্ট ফ্যাসিজম’ পদযাত্রা কুড়িগ্রামে সাংবাদিক জুবায়েরের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের আইনের আওতার দাবি সুনামগঞ্জে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর অবমাননার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ ও শাস্তির দাবি বগুড়ার শাজাহানপুরে নদী থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার ২০ হাজার অবৈধ অটোরিকশার দখলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর, প্রশাসনিক ঠেলাঠেলিতে স্থবির জনজীবন

সন্তানের স্বীকৃতি না দিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান স্থানীয়রা

print news

◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর (যশোর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর বাজারে সন্তানের স্বীকৃতি চাওয়ায় তাসলিমা বেগমকে বেধড়ক মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত সোহাগ হোসেনের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে হাসানপুর বাজারের চার রাস্তার মোড়ে আয়োজিত এ মানববন্ধনে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টিটাবাজিতপুর গ্রামের সোহাগ হোসেন তাসলিমা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে তার বাড়িতে যাওয়া-আসার সুযোগ নেয়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করলে তাসলিমা গর্ভবতী হন। পরে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন, যার নাম রাখা হয় মোছাঃ রোজা খাতুন। কিন্তু সন্তানের জন্মের পর থেকেই অভিযুক্ত সোহাগ তাসলিমা ও শিশুটিকে খুন জখমের হুমকি দিতে থাকে।

গত ৬ আগস্ট দুপুরে সোহাগ হাতে ধারালো হাসুয়া নিয়ে হাসানপুর বাজারের তাসলিমার ভাড়া বাসায় প্রবেশ করে সন্তানের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় তাসলিমা বাধা দিলে তাকে গলা চেপে ধাক্কা দিয়ে ফেলে কিল-ঘুষি মেরে জখম করে। পরে শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সোহাগ হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। আহত তাসলিমা ও তার শিশুকন্যাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে বাজারে দুশ্চরিত্র ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, একাধিকবার সালিশও হয়েছে। তারা দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত সোহাগ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি নির্দোষ এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণের প্রস্তাব দেন।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাটি নিয়ে থানায় মারামারির মামলা হয়েছে এবং আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান চলছে। পাশাপাশি সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামে আবাসিক শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতন: মাদরাসা শিক্ষক আটক

সন্তানের স্বীকৃতি না দিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান স্থানীয়রা

আপডেটের সময়: ০৮:৫৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
print news

◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর (যশোর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর বাজারে সন্তানের স্বীকৃতি চাওয়ায় তাসলিমা বেগমকে বেধড়ক মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত সোহাগ হোসেনের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে হাসানপুর বাজারের চার রাস্তার মোড়ে আয়োজিত এ মানববন্ধনে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টিটাবাজিতপুর গ্রামের সোহাগ হোসেন তাসলিমা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে তার বাড়িতে যাওয়া-আসার সুযোগ নেয়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করলে তাসলিমা গর্ভবতী হন। পরে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন, যার নাম রাখা হয় মোছাঃ রোজা খাতুন। কিন্তু সন্তানের জন্মের পর থেকেই অভিযুক্ত সোহাগ তাসলিমা ও শিশুটিকে খুন জখমের হুমকি দিতে থাকে।

গত ৬ আগস্ট দুপুরে সোহাগ হাতে ধারালো হাসুয়া নিয়ে হাসানপুর বাজারের তাসলিমার ভাড়া বাসায় প্রবেশ করে সন্তানের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় তাসলিমা বাধা দিলে তাকে গলা চেপে ধাক্কা দিয়ে ফেলে কিল-ঘুষি মেরে জখম করে। পরে শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সোহাগ হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। আহত তাসলিমা ও তার শিশুকন্যাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে বাজারে দুশ্চরিত্র ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, একাধিকবার সালিশও হয়েছে। তারা দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত সোহাগ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি নির্দোষ এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণের প্রস্তাব দেন।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাটি নিয়ে থানায় মারামারির মামলা হয়েছে এবং আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান চলছে। পাশাপাশি সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।