Dhaka ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

সম্পত্তির জন্য নিজের গর্ভধারিণী মাকে গলা টিপে হত্যা

print news

মা চলো আমার সাথে… তোমার জন্য ভালো খাবার রান্না করেছি।”​নরসিংদী সদরের ৬৫ বছর বয়সী মা জয় মালা হয়তো এই কথাটি শুনে খুশিতে আত্মহারা হয়ে গিয়েছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে ছেলের মুখে এমন আদরের ডাক শুনলে কোন মায়ের মন না গলে? নিজের গর্ভধারিণী মা-কে ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে ছেলে মোশাররফ নিয়ে গেল তার শ্বশুরবাড়িতে। মা হয়তো ভেবেছিলেন, ছেলে বড় হয়েছে, আজ তাকে আদর করে খাওয়াবে।
​কিন্তু মা জানতেন না, সেই খাবারের নিমন্ত্রণ ছিল আসলে তার মৃ-ত্যু-পুরীর দাওয়াত!

​শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পরই শুরু হলো আসল রূপ। ছেলে, পুত্রবধূ আর শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে ঘিরে ধরল অসহায় বৃদ্ধাকে। দাবি একটাই— “৯ ডিসিম সম্পত্তি লিখে দাও।” মা হয়তো অবাক হয়ে ছেলের চোখের দিকে তাকিয়েছিলেন, যে চোখ দিয়ে একদিন তিনি পৃথিবী দেখেছিলেন। কিন্তু সম্পত্তি আর লোভের নেশায় সেই ছেলের চোখ তখন অন্ধ।
​সম্পত্তি লিখে দেননি বলে সেই পি-শা-চ ছেলে আর তার সহযোগীরা মিলে নিজের মায়ের গলা টি-পে ধরল।

যে মা একসময় মুখে খাবার তুলে দিতেন, সেই মায়েরই নিশ্বাস ব-ন্ধ করে দিল জন্মদাতা সন্তান! সম্পত্তির দলিল কি শেষ পর্যন্ত মায়ের জীবনের চেয়েও দামী হলো?
​খাবারের তৃপ্তি পেতে আসা মা আজ কবরের মাটির নিচে শান্ত হয়ে শুয়ে আছেন। তার অ-পরাধ ছিল তিনি মা ছিলেন, তার অপরাধ ছিল তিনি বিশ্বাস করেছিলেন নিজের সন্তানকে।

​ধি-ক্কা-র জানাই এই সমাজকে, ধি-ক্কা-র জানাই এমন কু-লা-ঙ্গার সন্তানকে! নরসিংদীর এই ঘটনার পর আজ প্রতিটি মায়ের আকাশ ডুকরে কাঁ-দ-ছে। এই পাষণ্ড মোশাররফ আর তার সহযোগীদের এমন শা/স্তি হোক যা দেখে পৃথিবীর আর কোনো সন্তান যেন তার মায়ের দিকে চোখ রাঙিয়ে তাকানোর সাহস না পায়।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

সম্পত্তির জন্য নিজের গর্ভধারিণী মাকে গলা টিপে হত্যা

আপডেটের সময়: ১১:০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
print news

মা চলো আমার সাথে… তোমার জন্য ভালো খাবার রান্না করেছি।”​নরসিংদী সদরের ৬৫ বছর বয়সী মা জয় মালা হয়তো এই কথাটি শুনে খুশিতে আত্মহারা হয়ে গিয়েছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে ছেলের মুখে এমন আদরের ডাক শুনলে কোন মায়ের মন না গলে? নিজের গর্ভধারিণী মা-কে ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে ছেলে মোশাররফ নিয়ে গেল তার শ্বশুরবাড়িতে। মা হয়তো ভেবেছিলেন, ছেলে বড় হয়েছে, আজ তাকে আদর করে খাওয়াবে।
​কিন্তু মা জানতেন না, সেই খাবারের নিমন্ত্রণ ছিল আসলে তার মৃ-ত্যু-পুরীর দাওয়াত!

​শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পরই শুরু হলো আসল রূপ। ছেলে, পুত্রবধূ আর শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে ঘিরে ধরল অসহায় বৃদ্ধাকে। দাবি একটাই— “৯ ডিসিম সম্পত্তি লিখে দাও।” মা হয়তো অবাক হয়ে ছেলের চোখের দিকে তাকিয়েছিলেন, যে চোখ দিয়ে একদিন তিনি পৃথিবী দেখেছিলেন। কিন্তু সম্পত্তি আর লোভের নেশায় সেই ছেলের চোখ তখন অন্ধ।
​সম্পত্তি লিখে দেননি বলে সেই পি-শা-চ ছেলে আর তার সহযোগীরা মিলে নিজের মায়ের গলা টি-পে ধরল।

যে মা একসময় মুখে খাবার তুলে দিতেন, সেই মায়েরই নিশ্বাস ব-ন্ধ করে দিল জন্মদাতা সন্তান! সম্পত্তির দলিল কি শেষ পর্যন্ত মায়ের জীবনের চেয়েও দামী হলো?
​খাবারের তৃপ্তি পেতে আসা মা আজ কবরের মাটির নিচে শান্ত হয়ে শুয়ে আছেন। তার অ-পরাধ ছিল তিনি মা ছিলেন, তার অপরাধ ছিল তিনি বিশ্বাস করেছিলেন নিজের সন্তানকে।

​ধি-ক্কা-র জানাই এই সমাজকে, ধি-ক্কা-র জানাই এমন কু-লা-ঙ্গার সন্তানকে! নরসিংদীর এই ঘটনার পর আজ প্রতিটি মায়ের আকাশ ডুকরে কাঁ-দ-ছে। এই পাষণ্ড মোশাররফ আর তার সহযোগীদের এমন শা/স্তি হোক যা দেখে পৃথিবীর আর কোনো সন্তান যেন তার মায়ের দিকে চোখ রাঙিয়ে তাকানোর সাহস না পায়।