
আঃ জলিল–স্টাফ রিপোর্টার◼️
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে ওজনে কম দেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন উপকারভোগীরা। ওজনে গড়মিল ধরা পড়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে চাল বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভুপালী সরকার।
সরকারি নির্দেশনায় ভিজিডির আওতায় প্রতি উপকারভোগী নারীর জন্য নির্ধারিত ছিল ৩০ কেজির ছয় বস্তা চাল। কিন্তু বাস্তবে বস্তাগুলোর প্রতিটিতে ১ থেকে ৫ কেজি পর্যন্ত চাল কম পাওয়া যায়। উপকারভোগীরা জানান, কারো বস্তায় ২৫ কেজি, কারো ২৬ বা ২৭ কেজি চাল দেওয়া হয়েছে।
রবিবার সকাল থেকেই চাল বিতরণ শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই উপকারভোগীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে সরাসরি অভিযোগ করেন। একপর্যায়ে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রতিবাদে জড়ো হন এবং প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে ইউএনও ঘটনাস্থলে গিয়ে চাল বিতরণ বন্ধের নির্দেশ দেন।
এক উপকারভোগী রেখা খাতুন বলেন, “গরিবের জন্য বরাদ্দ চালও যদি চুরি হয়, তাহলে কীভাবে চলবে সংসার?”
নাজমা খাতুন জানান, “প্রতিবারই কম দেয়, এবার মুখ বুজে থাকতে পারিনি।”
আরেকজন, লাভলী খাতুন বলেন, “এখানে গাফিলতি আর চুরি মিলে দুর্নীতিই চলছে।
ইউএনও ভুপালী সরকার বলেন, “বস্তাগুলো ওজন করে দেখা গেছে কিছু চাল সত্যিই কম। তাই তাৎক্ষণিক বিতরণ বন্ধ করেছি। সংশ্লিষ্ট খাদ্য কর্মকর্তাকে সব বস্তা ফেরত পাঠাতে বলেছি। পরবর্তীতে নির্ধারিত ৩০ কেজি ওজন নিশ্চিত করেই চাল বিতরণ করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চাল বিতরণে অনিয়ম চলছে। অসাধু ঠিকাদারি সিন্ডিকেট ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের গাফিলতির কারণেই বারবার এমন ঘটনা ঘটছে। এলাকাবাসী এ ধরনের দুর্নীতির স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
প্রতিবেদকের নাম 

























