
সুনামগঞ্জে নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার বাধাগুলো চিহ্নিত করতে সামাজিক নিরীক্ষার ফলাফল নিয়ে একটি বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জেলার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নারী উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এবং এফ্যারটস ফর রুরাল এডভ্যান্সমেন্ট (ইরা)-এর যৌথ আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিকতা–সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ডের আওতায় “সাম্য ও সমতার বাংলাদেশ: জনগণের অংশগ্রহণে টেকসই উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সভায় সুনামগঞ্জের সদর, তাহিরপুর, দোয়ারা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নারীদের শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলোর ওপর আলোকপাত করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, “নারীর অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয় এমন অন্তরায়গুলো আমাদের দূর করতে হবে। তৃণমূল থেকে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট সুপারিশগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ, সহকারী কমিশনার সাকিবুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সিটিজেনস গ্রুপের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সিপিডির সিনিয়র রিসার্চার ও প্রকল্প কোঅর্ডিনেটর ড. দ্বিজেন মল্লিকসহ অন্যান্য প্রকল্পের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে স্থানীয় নারীরা তাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। এছাড়া প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মোজাহিদুল ইসলাম, মো. জাওয়াদুল করিম, মো. কামরুজ্জামান এবং তৃপ্তি দে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় জিএফএ কনসাল্টিং গ্রুপ ও সিপিডি যৌথভাবে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
এরশাদুল হক (সুনামগঞ্জ) 




















