
◼️এস এম রুহুল তাড়াশী– চলনবিল
সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের কালিদাস নিলী গ্রামের বাচ্চু আকন্দ গ্রামীণ অর্থনীতিতে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। একসময় কৃষিকাজে নিয়োজিত থাকলেও দুই দশক আগে হাঁস পালনের উদ্যোগ নেন। স্থানীয় খামারিদের কর্মকাণ্ড দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে শুরু করা সেই ছোট উদ্যোগ আজ রূপ নিয়েছে স্বাবলম্বিতার পথে।
বর্তমানে বাচ্চু আকন্দের খামারে রয়েছে ক্যামবেল, ব্ল্যাকহল ও বেলজিয়াম প্রজাতির পাঁচ থেকে ছয় শত হাঁস। প্রতিদিন প্রায় চারশত ডিম উৎপাদিত হয়, যা পাইকাররা বাজারমূল্যে সংগ্রহ করেন। এছাড়াও মাংসের জন্য হাঁস বিক্রির মাধ্যমে অতিরিক্ত আয় হচ্ছে। খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি থাকলেও তিনি আশাবাদী এবং ভবিষ্যৎকে দেখছেন সাফল্যের আলোয়।
বাচ্চু আকন্দ বলেন, “প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহায়তা পেলে খরচ কমে আসবে এবং লাভের পরিমাণ আরও বাড়বে। আমার খামার দেখেই গ্রামীণ গৃহবধূরা হাঁস পালন শুরু করেছেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।”
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “বাচ্চু আকন্দের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাঁর হাঁসের খামার স্থানীয় বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।”
গ্রামের সাধারণ মানুষ বাচ্চু আকন্দ প্রমাণ করেছেন, অধ্যবসায় থাকলে স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ গ্রামেও তৈরি করা সম্ভব। তাঁর এই গল্প স্থানীয় যুবসমাজ এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















